এলপিজি সিলিন্ডারের সঠিক ব্যবহার পদ্ধতি

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » এলপিজি সিলিন্ডারের সঠিক ব্যবহার পদ্ধতি
বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৮



---

ইদানিং বাসা-বাড়িতে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারের সময় অসতর্কতা
বা সিলিন্ডারের ব্যবহার পদ্ধতি সঠিক না হওয়ার কারণে এলপিজি সিলিন্ডার হতে
গ্যাস নিঃসরণ হয়ে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটছে। এ দুর্ঘটনা
এড়াতে নিন্মোক্ত নির্দেশনা অনুসরণ জরুরি।
১।  সিলিন্ডার আগুনে বা অন্যভাবে গরম হলে তরল এলপিজি দ্রুত গ্যাসে
রূপান্তরিত হয়ে অসাভাবিক চাপ বৃদ্ধির ফলে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হতে
পারে।
২।  সিলিন্ডার কোনভাবেই চুলার বা আগুনের পাশে রাখা যাবে না, এতে বিস্ফোরণ
ঘটতে পারে।
৩।  অতিরিক্ত গ্যাস বের করার জন্য এলপিজি সিলিন্ডারে তাপ দেওয়া যাবে না।
৪।  রান্না শেষে চুলা ও এলপিজি সিলিন্ডারের রেগুলেটরের সুইচ অবশ্যই বন্ধ করতে
হবে।
৫।  গ্যাসের গন্ধ পেলে ম্যাচের কাঠি জালানো যাবে না, ইলেকট্রিক সুইচ
এবং মোবাইল ফোন অন বা অফ করা যাবে না।
৬।  ঘরে গ্যাসের গন্ধ পেলে দ্রুত দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে এবং এলপিজি
সিলিন্ডারের রেগুলেটর বন্ধ করতে হবে।
৭।  রান্না শুরু করার আধাঘণ্টা আগে রান্নাঘরের দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে।
৮।  এলপিজি সিলিন্ডার খাড়াভাবে রাখতে হবে, কখনই উপুড় বা কাত করে রাখা
যাবে না।
১০।  চুলা সিলিন্ডার থেকে নিচুতে রাখা যাবে না, কমপক্ষে ৬ ইঞ্চি ওপরে রাখতে
হবে।
১১।  চুলা হতে যথেষ্ট দূরে বায়ু চলাচল করে এমন স্থানে এলপিজি সিলিন্ডার রাখা
উচিত।
১২।  রান্নাঘরের ওপরে ও নিচে ভেন্টিলেটর রাখা উচিত।
১৩।  সিলিন্ডারের ভাল্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেগুলেটর ব্যবহার করা উচিত।

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৫৮:৫৩   ৩৬ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


অগ্নিকাণ্ডের এলাকায় কেমিক্যালের অস্তিত্ব ছিল না - শিল্পমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এখন বিশ্বের মধ্যে উন্নয়নের রোল মডেল - এলজিআরডি মন্ত্রী
ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন না,গঞ্জ পুলিশ সুপার
বাংলা হোক জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা - তথ্যমন্ত্রী
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী
একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির ঐতিহাসিক অনন্য মাইল ফলক -স্পীকার
শহীদদের প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলী
চকবাজারে আগুনের ঘটনায় মমতার শোক
“আইসিসি” বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চিন্তিত
শিকন্দর শাহ, কালাপাহাড় নয়, মমতাই সবচেয়ে বেশি মন্দির ভেঙেছেন : বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

আর্কাইভ