জেএমবির উত্তরবঙ্গের প্রধান সমন্বয়কসহ আটক ৪

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জেএমবির উত্তরবঙ্গের প্রধান সমন্বয়কসহ আটক ৪
মঙ্গলবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৯



---

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির উত্তরবঙ্গের প্রধান সমন্বয়ক আব্দুর রহমান বিশ্বাস ওরফে ফুয়াদ ওরফে নিয়াজসহ (২২) চারজনকে আটক করেছে র্যাব। সোমবার রংপুরের তারাগঞ্জ থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আব্দুর রহমান বিশ্বাস কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার ভাটিয়ার চর গ্রামের মাওলানা আবুল কাশেমের ছেলে। আটক অপর তিন জেএমবি সদস্যা হলেন- দিনাজপুরের বিরামপুর থানার ডোমা বাঘা গ্রামের আকবর আলীর ছেলে আখিনুর ইসলাম (২৩), রংপুরের তারাগঞ্জ থানার ডাংগাপাড়া চৌধুরী পাড়া গ্রামের মৃত ঈমান উদ্দিনের ছেলে লোকমান আলী ওরফে কোরবান (৫৫) এবং একই উপজেলার মন্ডলপাড়া গ্রামের মৃত মতিয়ার মন্ডলের ছেলে মিজানুর রহমান (৩৮)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি বিদেশি রিভলবার, ২টি ম্যাগাজিন, ৩ রাউন্ড তাজা গুলি এবং বিপুল পরিমাণ উগ্রবাদী বই ও লিফলেট উদ্ধার করেছে র্যাব।

মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব-১৩ এর কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র্যাব-১৩ এর অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোজাম্মেল হক।

তিনি আরও জানান, আটক আব্দুর রহমান বিশ্বাস জেএমবির আধ্যাত্মিক নেতা মাওলানা আবুল কাশেমের ছেলে। মাওলানা আবুল কাশেম কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট কর্তৃক ২০১৭ সালের মার্চ মাসে ঢাকার মিরপুর থেকে গ্রেফতার হওয়ার পর আব্দুর রহমান বেশি সক্রিয় হয়ে উঠে এবং তখন থেকেই উত্তরবঙ্গের জেএমবির প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে সমগ্র উত্তরবঙ্গে জেএমবির বিভিন্ন কার্যক্রম ও নাশকতার পরিকল্পনার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়। তারা সংগঠনকে চাঙা রাখতে বিভিন্ন লোকজনকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে অর্থ সাহায্য নিত। যা দিয়ে তারা সংগঠন চালানোর কাজ করে থাকে। এছাড়া তারা এলাকাভিত্তিক নতুন সদস্য সংগ্রহ, সদস্যদের ডাটাবেজ সংরক্ষণ, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য পরিকল্পনার কথাও স্বীকার করেছে।

মোজাম্মেল হক জানান, শুধু উত্তরবঙ্গেই নয়, সমগ্র দেশেই তাদের নানা ধরণের নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন এনজিও থেকে অর্থ ছিনতাই, ইসলামবিরোধী প্রচার করে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হত্যা করা ইত্যাদি। যাতায়াতের জন্য তারা বিভিন্ন এলাকা হতে ছিনতাই করে মোটরসাইকেল সংগ্রহ করে এবং সেগুলো ব্যবহার করে থাকে। জেএমবির সাংগঠনিক গোপন বৈঠকে তারা নিয়মিত অংশগ্রহণ করতো। জঙ্গি সংগঠনে তরুণদের উদ্বুদ্ধকরণ, নতুন জঙ্গি সদস্য সংগ্রহ, সংগঠনের জন্য চাঁদা প্রদান, চাঁদা সংগ্রহ এবং সংগৃহিত অর্থ দ্বারা অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার কথা তারা স্বীকার করেছে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান এই র্যাব কর্মকর্তা।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৩৬:০৫   ১৭ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


আসরের প্রথম সেঞ্চুরিতে বড় রান রাজশাহীর
জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা আমাদের একমাত্র কাজ - প্রধানমন্ত্রী
বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবদুল বাতেন এর জানাজা অনুষ্ঠিত
অর্থ আত্মসাতের মামলায় কায়সার হামিদ গ্রেফতার
বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আব্দুল বাতেন এর মৃত্যুতে স্পীকারের শোক
সাবেক সাংসদ আব্দুল বাতেন আর নেই
ব্রিগেডের জন্য মমতাকে ধন্যবাদ জানালেন বাংলার এই কংগ্রেস বিধায়ক
ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী আটক
মেট্রোরেলে বরাদ্দ কমছে ১ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা
মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় জাতিসংঘের ১০ শান্তিরক্ষী নিহত

আর্কাইভ