গার্মেন্টস সেক্টরে এখন আর অস্থিরতা নেই : শাজাহান খান

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » গার্মেন্টস সেক্টরে এখন আর অস্থিরতা নেই : শাজাহান খান
মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩



গার্মেন্টস সেক্টরে এখন আর অস্থিরতা নেই : শাজাহান খান

সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সরকারের সঙ্গে অনেকবারই আলোচনায় বসেছি এবং তাতে সফলতাও এসেছে। গার্মেন্টস সেক্টরে যে অস্থিরতাটা আগে ছিল, সেটা এখন আর নেই। আন্দোলন হবে স্বাভাবিক কিন্তু সেটি অন্যায় নয়। সরকারের দায়িত্ব সেটাকে বিবেচনায় নিয়ে সমাধান করা।

মঙ্গলবার (১১ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি) আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

শাজাহান খান বলেন, গার্মেন্টস মালিকরা কিন্তু একটা সংগঠনের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ। কিন্তু শ্রমিকরা বিভিন্নভাবে বিভক্ত। ২০১৩ সালে আমরা শ্রমিকদের বিভিন্ন অধিকার নিয়ে আন্দোলন করেছিলাম। তাতে একটি ইতিবাচক ফলাফল এসেছিল।

তিনি বলেন, বর্তমানে শ্রমিকরা বিভিন্ন অঙ্কের বেতন পায়। এটা ঠিক যে, সে বেতনটাকে আমরা একটি স্কেলে নিয়ে আসতে পারিনি। তবে তা নিয়ে আসার সময় এখনো আছে। কিন্তু তার আগে শ্রমিকদের মধ্যে বিভিন্ন দলের যে বিভক্তি আছে তা দূর করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। আসলে টাকা কিন্তু দেয় মালিক, যেটা আদায় করা বেশ কষ্টসাধ্য। সেটা সম্ভব করতে হলে শ্রমিকদের মধ্যে সুদৃঢ় ঐক্য থাকতে হবে।

আইবিসির সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় গোলটেবিল আলোচনায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইবিসির সভাপতি আমিরুল হক আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, সিপিডির পরিচালক খন্দকার মোয়াজ্জেম।

আলোচনায় আইবিসি গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ২৩,০০০ টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে–

• গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য রেশন ও আবাসন ব্যবস্থা চালু করা।
• গার্মেন্টস শ্রমিকদের গ্রাচ্যুইটি ও প্রভিডেন্ট ফান্ড (পিএফ) চালু করা।
• মাতৃত্বকালীন সময়ে চাকরিচ্যুতি বন্ধ করা, আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
• নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাস নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করা। শ্রম-ঘন এলাকায় শ্রমিকদের জন্য হাসপাতাল নির্মাণ করা।
• আইএলও কনভেনশন ৮৭ ও ৯৮ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা।
• গার্মেন্টসে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনে সব বাধা অপসারণ করা।
• শ্রম দপ্তরের দুর্নীতি ও দীর্ঘসূত্রতা বন্ধ করা।
• আইএলওর রোড ম্যাপের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন।
• গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য ডাটাবেজ তৈরিসহ আইডি কার্ড প্রদান।
• আইএলও কনভেনশন ১৯০ এবং ১২১ অনুসমর্থন করা।
• এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিমকে পাইলট প্রকল্প থেকে সার্বজনীন করা।
• কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি বন্ধ ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।
• কথায় কথায় চাকরিচ্যুতি বন্ধ করা, চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের শ্রম আইন মোতাবেক পাওনা পরিশোধে সব হয়রানি বন্ধ করা।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:০৩:৪৮   ৩১৯ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও যৌক্তিক মূল্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার - বাণিজ্যমন্ত্রী
বগুড়ায় দুই শিশুকে ধর্ষণের মামলায় আসামির ৬০ বছরের কারাদণ্ড
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বন্দুক-গোলাবারুদ উদ্ধার
‘প্রেম খুঁজে পেতে এখন আরো বিভ্রান্ত হতে হয়’, বললেন ঐশ্বর্য
দেশে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ গড়ার সুযোগ রয়েছে : পানিসম্পদমন্ত্রী
সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টারি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
নাটোরে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শুরু
কুমিল্লায় বিশ্ব দৃষ্টি দিবসে সচেতনতামূলক র‌্যালি
আর্সেনালের সাথে ২০৩০ পর্যন্ত নতুন চুক্তি নবায়ন করলেন আর্তেতা
ফ্রান্সজুড়ে ফের বিক্ষোভে নামছে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ