১৪ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় সুন্দরবন রক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » ১৪ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় সুন্দরবন রক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি
শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫



১৪ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় সুন্দরবন রক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি

১৪ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় সুন্দরবন রক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণাসহ ১০ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় জাদুঘরের সামনে বাপা আয়োজিত সুন্দরবন বিনাশী গৃহীত সব প্রকল্প বন্ধের দাবিতে শীর্ষক এক নাগরিক সমাবেশ থেকে এসব দাবি জানানো হয়।

বাপার অন্যান্য দাবিগুলো হচ্ছে— উজানের বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সফল আলোচনার মাধ্যমে সুন্দরবনের জন্য মিঠা পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, সুন্দরবন বিনাশী গৃহীত সব প্রকল্প বন্ধ করতে হবে, সুন্দরবনের পার্শ্ববর্তী বা অভ্যন্তরের নির্মাণাধীন ও পরিকল্পিত সরকারি-বেসরকারি সব প্রকল্প ও স্থাপনা নির্মাণ অবিলম্বে বন্ধ ও অপসারণ করতে হবে, বনের পাশ ঘেঁষে বরাদ্দ করা সব শিল্প ও আবাসন প্লট বন্ধ করতে হবে;. অপরিকল্পিত গাছকাটা, পশু-পাখি হত্যা ও মাছ ধরা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, বনের গাছে অগ্নি সংযোগ এবং বিষ প্রয়োগে জলজ প্রাণী ও মাছ হত্যা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে, সুন্দরবনের মধ্যকার নৌ-চলাচল হ্রাস, নৌ-দুর্ঘটনা প্রশমন, নদীর তলায় ডুবে থাকা নৌযান অপসারণ করতে হবে, সুন্দরবনের সব পোল্ডার অপসারণ করতে হবে, বন বিভাগের জনবল বৃদ্ধি ও তাদের কাজের পরিধি, একাগ্রতা, সক্ষমতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ বন্ধ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

মানববন্ধনে বাপার সভাপতি অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ তালুকদার বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য রাষ্ট্রে বনভূমির পরিমাণ ২৫ শতাংশ থাকলেও বাংলাদেশে এ সংখ্যা কমতে কমতে ১০ শতাংশ অবশিষ্ট আছে। যার ফলে দেশে একটার পর একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ধেয়ে আসছে। উন্নত রাষ্ট্রগুলো দেশের উন্নয়ন করতে তাদের বনভূমির ওপর হাত দেয় না। অথচ আমাদের দেশের উন্নয়গুলো প্রকৃতিকে ধ্বংস করে গড়ে উঠেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে প্রথমেই দেশের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় হাত দেওয়া উচিত ছিল।

সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির বলেন, বিতাড়িত আওয়ামী সরকারের নেওয়া সুন্দরবন বিনাশী রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ফলে সুন্দরবনের চরিত্র বিনষ্ট হয়েছে। বনের প্রাকৃতিক সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে। এই বনের সঙ্গে যাদের জীবন জীবিকা জড়িত তারা আজ মানবেতর দিনাতিপাত করছে। নদী ও খালগুলোতে মাছ পাওয়া যায় না, এলাকাটা সবসময় ধোঁয়াচ্ছন্ন থাকে, অত্র এলাকার গাছের পাতার ওপর ছাইয়ের স্তর পড়ার ফলে গাছ জীবন চক্র ভীষণভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। মাওয়ালীরা মধু পায় না, মাছের প্রজনন নষ্ট হয়েছে, বন্যপ্রাণীর সংখ্যা অনেক কমেছে। জলবায়ুর বিরূপ আচরণ দেখা দিয়েছে অতি গরম অনুভূত হচ্ছে। ১৪ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় সুন্দরবন দিবস হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিগত সরকারের করে যাওয়া অনেক দুর্নীতির সংস্কার করছে, পরিবেশের অনেক জায়গায় সংস্কার কাজ চলমান কিন্তু বিগত সরকারের সুন্দরবন ধ্বংসের সংস্কারের বিষয়ে কোনো উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না, যা পরিবেশবাদীদের ভাবিয়ে তুলেছে।

প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাপার নির্বাহী সদস্য ও কোষাধ্যক্ষ জাকির হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, ড. মাহবুব হোসেন, বাপা নির্বাহী সদস্য ড. হালিম দাদ খান প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:০৬:১১   ৩৫৪ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


আল কোরআন ও আল হাদিস
চট্টগ্রামের বড় প্রকল্পগুলোর কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে : গণপূর্তমন্ত্রী
দেশে যত অপকর্ম হচ্ছে সব জামায়াত করছে: দুদু
বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক ও থেরাপিস্ট নেবে মালদ্বীপ, ওষুধ আমদানির আগ্রহ
নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে ফায়ার সেফটি সরঞ্জাম দিল সদর উপজেলা প্রশাসন
ফরিদপুরে ছাত্র জমিয়তের সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত
কুরবানির চামড়া সংরক্ষণ করে অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব: কৃষিমন্ত্রী
যুক্তরাজ্যে আইসেসকো’র সংলাপে শিক্ষামন্ত্রী, নারী শিক্ষার প্রসারে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির ১ নম্বর সাব-কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত
দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : ভূমিমন্ত্রী

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ