সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জামালপুরবাসীর প্রাণের দাবি: মন্ত্রিসভায় চাই ফরিদুল কবীর শামীমকে

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জামালপুরবাসীর প্রাণের দাবি: মন্ত্রিসভায় চাই ফরিদুল কবীর শামীমকে
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬



জামালপুরবাসীর প্রাণের দাবি: মন্ত্রিসভায় চাই ফরিদুল কবীর শামীমকে

জামালপুর প্রতিনিধি : রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, শত শত মামলা আর হুলিয়া মাথায় নিয়ে ঘরছাড়া জীবনের কঠিন অগ্নিপরীক্ষা পেরিয়ে আসা এক নাম ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম।

জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসন থেকে বিপুল ভোটে নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যকে এখন জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখতে চায় জেলাজুড়ে সর্বস্তরের মানুষ। তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবি, ত্যাগী ও পরীক্ষিত এই নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করে তার রাজনৈতিক শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন করা হোক।

ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর রাজনৈতিক জীবন তৃণমূল থেকে উঠে আসা শামীমের পথচলা ছিল কণ্টকাকীর্ণ। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে তাকে অসংখ্যবার কারাবরণ করতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দিনের পর দিন কাটাতে হয়েছে বাড়িঘর ছেড়ে, ফেরারি অবস্থায়। কিন্তু কোনো প্রতিকূলতাই তাকে রাজপথ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। বরং প্রতিটি সংকটে তিনি জামালপুর জেলা ও সরিষাবাড়ী উপজেলার নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন সম্মুখসারিতে থেকে।

ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের রক্তে মিশে আছে রাজনীতি। তিনি বিএনপি’র সাবেক সফল মহাসচিব এবং সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী, মরহুম ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারের ভাতিজা। পারিবারিক এই ঐতিহ্যকে লালন করে ছাত্ররাজনীতি থেকেই তিনি নিজের নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। পর্যায়ক্রমে তিনি পৌরসভা চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে সফল দায়িত্ব পালন। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক থেকে টানা তিনবার জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী ও আন্দোলনমুখী করে তোলা।

বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শামীমের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার প্রতিফলন ঘটেছে ব্যালট পেপারে। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি তার নির্বাচনি এলাকার ৮৮টি কেন্দ্রের প্রতিটিতেই বিপুল ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে তিনি জেলায় এক অনন্য নির্বাচনী রেকর্ড গড়েছেন, যা তার গণভিত্তিকে আরও জোরালোভাবে প্রমাণ করে।

সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আজিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, “দীর্ঘ ত্যাগ, দুঃসময়ের সাহসী ভূমিকা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে শামীম আজ জাতীয় পর্যায়ের নেতৃত্বে পরিণত হয়েছেন। জামালপুরবাসীর এখন একটাই প্রাণের দাবি—তাকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে এই অঞ্চলের উন্নয়নের সুযোগ করে দেওয়া হোক।”

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন এবং বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে চলা এই নেতাকে ঘিরেই এখন নতুন স্বপ্ন দেখছে জামালপুরের মানুষ। তাদের প্রত্যাশা, রাজপথের এই পরীক্ষিত সৈনিক এবার জাতীয় নেতৃত্বের অগ্রভাগে থেকে দেশের সেবা করবেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৩৪:১৭   ৪১ বার পঠিত