
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চরবাংরাইল গ্রামে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় উভয় পক্ষের পাঁচটি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
সোমবার (১ জুন) রাতের এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মনি মোল্যার সমর্থক রুহুল ফকির (২৭) ও বিল্লাল মুন্সীর সমর্থক আহাদ মুন্সী (২৬)-এর মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র, ঢাল-সড়কি, রামদা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় পাঁচটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সংঘর্ষকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। সংঘর্ষে আহত অন্তত ১৫ জনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, “চরবাংরাইল গ্রামে দুই ব্যক্তির মধ্যে মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”
বাংলাদেশ সময়: ১৩:৫৬:৪৩ ১১১ বার পঠিত