সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে পাস

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে পাস
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬



বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে পাস

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল পরিচালনা সহজ করা এবং চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে কোম্পানি প্রতিষ্ঠা ও তাতে বিনিয়োগের ক্ষমতা দিতে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯৮ অনুযায়ী বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণ করা হলেও পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও সহায়ক জনবলের অভাব এবং সুস্পষ্ট পরিচালন কাঠামো না থাকায় হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি।

হাসপাতালটি কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর আওতায় এটি পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কারণে বিদ্যমান আইনে সংশোধন আনা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, চিকিৎসা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণে বিশ্ববিদ্যালয় লাভজনক বা অলাভজনক কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান গঠন করতে পারবে। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার অর্জন, সংরক্ষণ ও হস্তান্তরেরও ক্ষমতা পাবে।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়কে এ ধরনের কোম্পানি প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার সুস্পষ্ট আইনগত ক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি সিন্ডিকেটের ক্ষমতা, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালন বিধিমালা, সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত আয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে অন্তর্ভুক্ত করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে বিনিয়োগের শর্তাবলি নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, এ কাঠামোর আওতায় আন্তর্জাতিক মানের বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হলে দেশি-বিদেশি খ্যাতিমান চিকিৎসক, শিক্ষক ও গবেষকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, জ্ঞান ও দক্ষতার আদান-প্রদান আরও জোরদার হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে রেসিডেন্সি, ফেলোশিপ ও অন্যান্য উচ্চতর চিকিৎসা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আরও শক্তিশালী হবে। শিক্ষার্থীরা উন্নত ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে এবং আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসক, গবেষক ও স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী তৈরি করা সহজ হবে।

বিল অনুযায়ী, কোম্পানিগুলো থেকে অর্জিত আয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে পুনর্বিনিয়োগ করা যাবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ সময়: ২২:৫৭:১৯   ১৫ বার পঠিত