![]()
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: বোয়ালমারীতে উপ সহকারী কর্মকর্তার ভূমি (তহশিলদার) ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে দূর্ণীতির পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে।
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না, সাতৈর ও ঘোষপুর ইউনিয়ন (ভূমি) অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ উঠেছে। এমনকি তিনি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে কর্তৃপক্ষের অজান্তেই তার আপন ভাই ইয়াকুব শেখকে সাথে নিয়ে অফিস পরিচলনা করে আসছেন। তার ভাই ওই অফিসে চাকুরী না করলেও প্রতিনিয়ত ওই অফিসে সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত অফিস করছেন।
এই কর্মকর্তার স্বেচ্ছাচারীতা এতোটাই বেড়েছে যে, অফিসের একটি সরকারী ল্যাপটপ ও একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার ইমরান হোসেন তার নিজ বাড়ীতে নিয়ে গেছেন। মিস কেসের তদন্ত করতে গেলে ভুক্তভোগীর নিকট থেকে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি মিউটিশন সেবা গ্রহীতাকে দলিলে বিভিন্ন সমস্যাসহ নানাবিধ জটিলতা দেখিয়ে হয়রানী করেন এবং তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন।
ওই অফিসে তহশীলদার না থাকায় ভূমি উপসহকারী ইমরান হোসেন তহশীলদারের দায়িত্বে পালন করছেন বিধায় ধরাকে সড়া জ্ঞান করছেন ।
প্রতিটি মিউটেশন কেসে সরকারী ফি ১১০০ টাকা থাকলেও তাকে কাজ ভেদে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেবার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এমনও অভিযোগ রেয়েছে টাকা নিয়েও কাজ না করে বিনা ছুটিতে শশুড় বাড়ি গিয়ে আর অফিসে না এসে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থেকেছেন, তখন এই ভুক্তভোগী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে কাজটি সমাধান করেছেন বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মো. ইমরান হোসেন বলেন, এসব কথা সত্য নয়, তবে অফিসের পদ রয়েছে ৬টি। তহশীলদার না থাকায় ২ জন পিয়নকে নিয়ে অফিস চালাচ্ছি। লোক কম থাকায় ছোট ভাইকে দিয়ে কাজ করাই।
সরকারী অফিসে তার ভাইকে দিয়ে কাজ করাতে পারেন কি না ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বিষয়টি জানেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাহিরের লোক দিয়ে কাজ করানোর কোন নিয়ম নেই। অফিসে ইয়াকুবের কাজের বিষয়টি স্যাররা জানেন না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম রকিবুল হাসান বলেন, ইমরানের বিষয় অনেক অভিযোগ এসেছে। খুব দ্রুতই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান
বাংলাদেশ সময়: ২২:৫৪:৩৫ ২০ বার পঠিত