
আগামী ২৫ নভেম্বর চীনের একটি স্পেস মিশন থেকে মহাকাশে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রথম নভোচারী। একই সাথে ২০৩৫ সালের মধ্যে চাঁদে যাওয়ার স্বপ্নের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।
পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন (১৮ অক্টোবর) জানায়, নারোয়ালে ওয়ার্ল্ড স্পেস উইক ২০২৪-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, মহাকাশ গবেষণায় চীনের সাথে এই সহযোগিতা পাকিস্তানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
তরুণদের মাঝে বিজ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে নারোয়াল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানের প্রথম ‘স্পেস মিউজিয়াম’ বা মহাকাশ জাদুঘর তৈরির পরিকল্পনাও নেয়া হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে এবং স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোসফিয়ার রিসার্চ কমিশন (সুপারকো)-এর সহযোগিতায় নারোয়ালে প্রথমবারের মতো বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ উদযাপিত হয়।
‘বাইলেটারাল হিউম্যান স্পেসফ্লাইট প্রোগ্রাম’-এর আওতায় চীনের ‘তিয়াংগং’ স্পেস স্টেশনে পাঠানো হবে পাকিস্তানের প্রথম এই নভোচারীকে। এর জন্য পাকিস্তানের দুই জন প্রতিনিধি খুররাম দাউদ ও মুহাম্মদ জিশান আলী চীনে কঠোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তাদের মধ্য থেকে একজনকে চূড়ান্ত মিশনে নির্বাচন করা হবে।
মনোনীত নভোচারী পে-লোড বিশেষজ্ঞ হিসেবে মহাকাশ স্টেশনে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবেন। ‘চায়না ম্যানড স্পেস এজেন্সী’-র সাথে পাকিস্তানের মহাকাশ সংস্থা ‘সুপারকো’ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।
চীনের সহযোগিতায় পাকিস্তান ২০৩৫ সালের মধ্যে চাঁদে পৌঁছানোর যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, এই মিশনটি সেই যাত্রায় বড় মাইলফলক। এছাড়া ২০২৮ সালের দিকে চীনের ‘চাং ই-৮’ মিশনে পাকিস্তানের একটি লুনার রোভার পাঠানোর প্রস্তুতিও চলছে। এই যান স্বয়ংক্রিয়ভাবে পথ চলা ও ছবি তোলার প্রযুক্তির সাহায্যে চাঁদের মাটি গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭:৫৬:০৭ ৭ বার পঠিত