
আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যেই স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বৃদ্ধির বিষয়ে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, এখন আমরা মোটামুটি ইউন্যানিমাস (সর্বসম্মত) অবস্থানে পৌঁছেছি।
জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ সবাই একমত যে আরো তিন বছরের প্রস্তুতিকালের জন্য বাংলাদেশের সময় প্রাপ্য।
দুই বছরে অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত স্থিতিশীল হওয়ার আশা অর্থমন্ত্রীর সোমবার (১৯ অক্টোবর) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই) ও ইআরএফ এর যৌথভাবে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমি খুবই আশাবাদী। সামনের সপ্তাহ বা তার পরের সপ্তাহে আমরা নিষ্কৃতি দেখব ইনশাআল্লাহ।
দ্যাট ইজ বাই অক্টোবর, আমাদের নভেম্বরে যাওয়া লাগবে না। যদিও নভেম্বরের ২৪ তারিখ হচ্ছে আমাদের ফাইনাল ডেট। যে রিকমেন্ডেশনটা ছিল ইকোসকের (জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ), সেটায় ছিল যে তাদের একটা রেজল্যুশন নিতে হবে। আমরা ২৪ দিন হাতে রেখেই জিনিসটা শেষ করতে পারব।
তরুণ উদ্যোক্তারা পাবেন ২০ লাখ টাকা, আবেদন করবেন যেভাবে তিনি বলেন, এই তিন বছর এক্সটেনশন করলে সময়টা কিভাবে কাজে লাগাব, তার একটা অ্যাকশন প্ল্যান আমরা শেয়ার করেছি। আমরা বলছি, এলডিসি থেকে টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ সরকারের একটি মসৃণ উত্তরণ কৌশল (এসটিএস) আছে। আমরা চাই ২০২৭ সালের মধ্যে দশটি দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে। যেন উত্তরণের পরে আমাদের ঝুঁকি কমে আসে।
এরই মধ্যে জাপানের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে হবে। আগামী নভেম্বর মাসে ইউএইর সঙ্গে কমপ্লিট হবে বলে আশা করছি। আমাদের চলমান যে নেগোসিয়েশনগুলো, সেটার মধ্যে ওমান, সিঙ্গাপুর, ইউএই, নিউজিল্যান্ড রয়েছে। ২৭-এর মধ্যে আট-দশটার সঙ্গে আমরা কমপ্লিট করে ফেলতে পারব।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:৪২:১৬ ৫ বার পঠিত