![]()
শ্রম আইন বাস্তবায়ন ও শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিতে বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে জার্মানি।
আজ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জার্মান ফেডারেল ইকোনমিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রির ভাইস মিনিস্টার ড. বার্বেল কফলার এ আশ্বাস দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজ, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে শ্রমমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শ্রমিকদের শোভন কাজ, কল্যাণ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
শ্রমিকদের ন্যায্য ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ, শ্রম অধিকার, সামাজিক সংলাপ এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
তিনি জানান, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই বাংলাদেশ শ্রম আইনের সংশোধনী পাস করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সম্প্রতি আইএলও কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭ ও ১৯০ অনুসরণ করেছে। শ্রম বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমে সংশোধিত আইনের কার্যকর বাস্তবায়নের উদ্যোগও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম (ইআইএস) প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ২০২২ সালের জুন থেকে তৈরি পোশাক খাতে পরীক্ষামূলকভাবে এ স্কিম চালু রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত পঙ্গুত্ব বা মৃত্যুর ক্ষেত্রে শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে মাসিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। বর্তমানে স্কিমটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এবং চামড়া ও জুতা খাতে সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
স্কিমটিকে জাতীয় পর্যায়ে চালু করতে উপযুক্ত অর্থায়ন পদ্ধতি নির্ধারণের কাজ চলছে। এক্ষেত্রে জার্মান সরকারের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
ড. বার্বেল কফলার শ্রম আইন বাস্তবায়নে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে আইনটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, শোভন কাজ ছাড়া কোনো ব্যবসায়িক মডেল টেকসই হতে পারে না। বর্তমানে জার্মানির ভোক্তারা পোশাক তৈরির সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশের বিষয়ে সচেতন।
বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:১০:৫১ ১৪ বার পঠিত