বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

আলফাডাঙ্গায় আকাশ মিয়ার পরিবারের সদস্যের কাছে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন ছিরু খন্দকারসহ পরিবারের সদস্যরা

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » আলফাডাঙ্গায় আকাশ মিয়ার পরিবারের সদস্যের কাছে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন ছিরু খন্দকারসহ পরিবারের সদস্যরা
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬



আলফাডাঙ্গায় আকাশ মিয়ার পরিবারের সদস্যের কাছে  ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন ছিরু খন্দকারসহ পরিবারের সদস্যরা

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার জাটিগ্রামে মরিশাসপ্রবাসী সমাজসেবক আকাশ মিয়া ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের ঘটনায় ভুল স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন ছিরু খন্দকারসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ভুল-বোঝাবুঝি ও বিরোধের অবসান ঘটেছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় দুই পরিবারের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য রফিক মেম্বারের বাড়িতে উভয় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে এক বৈঠকে এ বিরোধের মীমাংসা হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতা ও রফিক মেম্বারের আন্তরিক উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়।

জানা যায়, পূর্বের ভুল-বোঝাবুঝি ও আকাশ মিয়া এবং তাঁর পরিবারকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের ঘটনায় অনুতপ্ত হয়ে তাঁদের কাছে ক্ষমা চান ছিরু খন্দকার (পিতা: মৃত মজিদ খন্দকার), আসমা বেগম (স্বামী: ইয়ার খন্দকার) এবং অন্তরা খাতুন (ইয়ার খন্দকারের মেয়ে ও কৃষ্ণপুর গ্রামের মিলন শেখের স্ত্রী)। তাঁরা প্রত্যেকে পৃথকভাবে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও অঙ্গীকার করেন।

বৈঠক শেষে মধ্যস্থতাকারী রফিক মেম্বারের উপস্থিতিতে দুই পরিবারের সদস্যরা পরস্পরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনেন। এর মধ্য দিয়ে বিরোধের অবসান ঘটে এবং দুই পরিবারের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখার পথ সুগম হয়।

এ বিষয়ে মরিশাসপ্রবাসী সমাজসেবক ও ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিত আকাশ মিয়া মুঠোফোনে বলেন, মানুষের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি হতেই পারে। তবে আলোচনার মাধ্যমে সেই ভুলের অবসান ঘটিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই, সবাই মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করুক। কারও সঙ্গে বিরোধ নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্প্রীতি নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই।

স্থানীয়দের মতে, পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধের অবসান সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। দুই পরিবারের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় জাটিগ্রামে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সৌহার্দ্য বজায় থাকবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা

বাংলাদেশ সময়: ২৩:২৮:৫১   ৯ বার পঠিত