দেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষায় সম্মিলিত প্রয়াস দরকার

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » দেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষায় সম্মিলিত প্রয়াস দরকার
সোমবার, ৫ জুন ২০২৩



দেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষায় সম্মিলিত প্রয়াস দরকার

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আমাদের দেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও প্রয়াস দরকার। পরিবেশ, প্রকৃতি সংরক্ষণ, বন সৃজন অন্য কারো জন্য নয়, নিজেদের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যই করা প্রয়োজন। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদেরকে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’

সোমবার (৫ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত আমাদের নিত্যসঙ্গী। জলবায়ু পরিবর্তনের সব বিরূপ প্রভাব আমাদের দেশে দৃশ্যমান। সেই প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশে পরিবেশ সংরক্ষণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আমাদের সরকার পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় সেই দুরূহ কাজ করতে গিয়ে অনেক সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০১৫ সালে পরিবেশ সংরক্ষণে বিশ্বের সর্বোচ্চ পদক ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে, যা জাতির জন্য বিপুল সম্মান ও স্বীকৃতির পরিচায়ক।

পরিবেশবিদ ড. হাছান বলেন, প্রধানমন্ত্রী কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা করেছেন সে উদাহরণ হচ্ছে, বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ, মাথাপিছু সর্বনিম্ন কৃষি জমি এবং আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর ৯২তম দেশ হওয়া সত্ত্বেও ধান ও মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে চতুর্থ, আলু উৎপাদনে সপ্তম এবং খাদ্যশস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ছোট্ট একটি দেশে প্রধানমন্ত্রীর অনন্য ব্যবস্থাপনাতেই এটি সম্ভব হয়েছে।

২০০২ সাল থেকে ১০ বছর আওয়ামী লীগের প্রথম পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বপালন করা হাছান মাহমুদ এ বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বিট প্লাস্টিক পলুশন, ইকোসিস্টেম রিস্টোরেশন’ অনুসারে প্লাস্টিক দূষণ সমাধানে ব্রতী হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বছরে পৃথিবীতে ৪শ মিলিয়ন টন এবং এর মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ৩ হাজার টন প্লাস্টিক উৎপাদন হয় এবং বিশ্বব্যাপী ১১ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে নিক্ষেপ করা হয়। এ অবস্থা চললে বিশেষজ্ঞদের মতে ৫০ বছরে অনেক জায়গা মৎস্যশূন্য হয়ে যাবে, থাইল্যান্ডের সমুদ্র অনেকটা মৎস্যশূন্য হয়ে গেছে। আবার প্রতিদিন দেড়শ থেকে দুইশ প্রজাতির প্রাণী প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, এর মধ্যে প্রায় ১৩৭টি প্রজাতি বিলুপ্ত হচ্ছে বনভূমি উজাড় হওয়ার কারণে।

পরিবেশের এসব বিপর্যয় রোধে তথ্যমন্ত্রী সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত পরিবেশ সচেতন। আসুন সবাই মিলে দেশ গড়ি, পরিবেশ রক্ষা করি এবং প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করি।’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বিশেষ অতিথি এবং সচিব ড. ফারহিনা আহমদ স্বাগত বক্তা হিসেবে বক্তৃতা দেন।

বাংলাদেশ সময়: ২২:৪৬:০২   ৩০৯ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


চাঁদাবাজির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের এমপি মান্নানের ছেলে সজীব ডিবি হেফাজতে
মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ১১ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার : মন্ত্রী
জাতীয় স্বার্থে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ : পানি সম্পদ মন্ত্রী
বিআইপিএস পরিচালনা বোর্ড ও নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠনে বোর্ড সভা আহ্বানের সিদ্ধান্ত
হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩ শিশুর মৃত্যু
ভাঙ্গায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে চোর অপবাদে গণপিটুনির অভিযোগ, প্রতিবাদের ঝড়
২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার : আইনমন্ত্রী
কারখানার শ্রমিক থেকে বিশ্বকাপে জার্মানির ‘হিরো’
বিনিয়োগকারীদের হয়রানি বন্ধে ‘ওয়ান স্টপ উইন্ডো’ চালু করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
ফৌজদারি অপরাধের দণ্ডের মাত্রা নিরূপণে আইন প্রণয়নের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ