নদীতে ব্রীজ তৈরির ক্ষেত্রে পিলারের সংখ্যা কমাতে হবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » নদীতে ব্রীজ তৈরির ক্ষেত্রে পিলারের সংখ্যা কমাতে হবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪



নদীতে ব্রীজ তৈরির ক্ষেত্রে পিলারের সংখ্যা কমাতে হবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নদীতে ব্রীজ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কম পিলার থাকে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ নদীকে রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু নৌপরিবহন বা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নয়; নদীকে রক্ষা করার দায়িত্ব প্রতিটি মানুষের। এ বিষয়ে সমন্বয় দরকার।
প্রতিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘ডিটারমিনেশন অব স্ট্যান্ডার্ড হাই ওয়াটার লেভেল, স্ট্যান্ডার্ড লো ওয়াটার লেভেল এবং রি-ক্লাশিফিকেশন অব ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রকল্পের ফলাফল চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিনিয়ত ডেভেলপমেন্টের কারণে নদীগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সর্বপ্রথম ২০১০ সনে নদ-নদীর উপর পরিকল্পিতভাবে সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের উদ্দেশ্যে একটি বিধিমালা জারি করা হয়। প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সনে ওই বিধিমালায় একটি সংযোজনীও যুক্ত করা হয়। এর আগে ৪০ বছরে এরকম বিধিমালা হয়নি।
নদী, খালের উপর কালভার্ট দিয়ে নদীকে সংকুচিত করা হয়েছে-এমনটি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন কালভার্ট এর নীচে নালাও নেই। তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা নদী দখল হয়ে যাচ্ছে। তবে পানির প্রবাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে নৌ মন্ত্রণালয়। ফলে দুই-তিন বছরে জলাবদ্ধতা হচ্ছেনা।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাল্টিমোডাল যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা বলেছেন। তিনি ১৯৯৬ সালে ঢাকার চারপাশে রেল, রোড ও নৌপথে যোগাযোগের কথা বলেছেন। যোগাযোগকে মাল্টিমোডাল করতে হবে। রেল, রোড ও নৌপথ যাতে থাকে সে ব্যবস্থা রাখতে হবে। বঙ্গবন্ধু সেতুতে প্রথমে রেল সংযোগের বিষয় ছিলনা। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঠিক নির্দেশনার আলোকে রেললাইন সংযোগ দেওয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, ‘‘বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন-মানুষের শিরায় শিরায় রক্তপ্রবাহ না থাকলে মানুষ মারা যায়, তেমনি নদীর নাব্যতা না থাকলে নদী মরে যাবে। উচ্ছেদ অভিযান মানুষের চোখ খুলে দিয়েছে। মানুষ এখন নদীতে ময়লা ফেলার আগে ডান-বামে তাকায়। এটি সফলতা।’’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল, বিআইডব্লিউটিএ’র সদস্য প্রকৌশল মোহাম্মদ মনোয়ার উজ জামান। আইডব্লিউএম-এর নদী ও পানি বিশেষজ্ঞ ফারহানা আখতার কামাল সমীক্ষা প্রকল্পের ফলাফল উপস্থাপন করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৬৭ সনে এবং ১৯৮৯ সনে নদীর ‘হাই ও লো লেভেল’ নিয়ে সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছিল। ওই সমীক্ষা দু’টি করেছিল বিদেশী সংস্থা। এবার আমাদের জাতীয় প্রতিষ্ঠান আইডব্লিউএম এই সমীক্ষার কাজ করেছে। এর ফলে প্রমাণ হয়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে ও সক্ষমতায় বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ নদ-নদীর উপর পরিকল্পিতভাবে সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের উদ্দেশ্যে বিধিমালা (সংশোধিত) তৈরি করবে। সে বিধিমালায় যাতে কোন সংঘাত তৈরি না হয়; সেটি হবে সবার জন্য ফলপ্রসূ এবং সবার জন্য সুবিধাজনক। আর নদীর কথা চিন্তা করে জাহাজগুলোর হাইট নির্ধারণ করতে হবে। ব্রিজের হাইটের চেয়ে নদীতে পিলারের কারণে সিলট্রেশন হয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭:২৫:৪৬   ২৫৭ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


আল কোরআন ও আল হাদিস
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ
নারায়ণগঞ্জবাসীর সুখ-দুঃখে ব্যবসায়ী সমাজ সবসময় পাশে থাকবে: সোহেল
নিরাপদ ও সুন্দর নারায়ণগঞ্জ-৪ গড়তে কোনো আপস করব না: এমপি আল আমিন
মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ১ মাসের ইফতার-সেহরির ব্যবস্থা করলেন জাইমা রহমান
বোরো রোপণে ব্যস্ত সরিষাবাড়ী, সরগরম স্থানীয় শ্রমবাজার
বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে নীতিগত সংস্কার করতে হবে - বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী
ঈদের আগে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে - সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
আগামী এক বছরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কেলে কৃষি পণ্য রপ্তানি করা হবে - কৃষি মন্ত্রী
রেলকে আর লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায় না সরকার - রেলপথ মন্ত্রী

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ