সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, ইউএনডিপির দুটি নতুন প্রকল্প চুক্তি স্বাক্ষর

প্রথম পাতা » অর্থনীতি » অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, ইউএনডিপির দুটি নতুন প্রকল্প চুক্তি স্বাক্ষর
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬



অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, ইউএনডিপির দুটি নতুন প্রকল্প চুক্তি স্বাক্ষর

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) আজ ট্রান্সফরমেটিভ ইকোনমিক পলিসি প্রোগ্রাম (টিইপিপি) ফেজ-২ এবং ইনস্টিটিউশনাল স্ট্রেংদেনিং ফর প্রমোটিং অ্যাক্সিলারেটেড ট্রান্সফরমেশন (আইএসপিএটি) শীর্ষক দুইটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি, ইউএনডিপি নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ইআরডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।

টিইপিপি ফেজ-২ ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের মার্চ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। যুক্তরাজ্য সরকারের অর্থায়নে ৩.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেটের এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নীতি পরিবেশকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও কার্যকর করে তোলা। প্রকল্পটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে বাণিজ্য আলোচনার সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রমাণভিত্তিক নীতি বিশ্লেষণ, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং বিনিয়োগ-বান্ধব সেবা উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবে।

আইএসপিএটি প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের জুন সময়ে বাস্তবায়িত হবে। অস্ট্রেলিয়া সরকারের ১.০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের লক্ষ্য হলো এনজিও বিষয়ক ব্যুরোকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা। ডিজিটাল সিস্টেম শক্তিশালীকরণ, সেবায় স্বচ্ছতা ও জেন্ডার সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি, নীতি সংস্কার এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন এ প্রকল্পের মূল অগ্রাধিকার।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, ‘এই দুটি প্রকল্প আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা উন্নয়ন, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন এবং প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়নের প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করে। আমরা এমন দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই, যারা এলডিসি-পরবর্তী রূপান্তরের সময়ে সুশাসন ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে।’

ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বলেন, ‘এই দুই প্রকল্প বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ও শাসন ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত কৌশলগত এবং পরিবর্তনধর্মী। এগুলো প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান ও নীতি-পরিবেশকে শক্তিশালী করবে, যা দেশের উন্নয়ন যাত্রার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে ইউএনডিপি ভবিষ্যতমুখী এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রভাব রাখতে পারে, এমন প্রকল্প অব্যাহত রাখবে ।’

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৫৬:৩২   ১২ বার পঠিত