![]()
বিমানবন্দরে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সৌদি আরবে ইরানের মিসাইলের আঘাতে নিহত মোশাররফ হোসেনের দুই সন্তানের শিক্ষা খরচ চালাবে সরকার। যুদ্ধকালীনে প্রবাসীদের পাশে থাকবে সরকার।
শুক্রবার (২০ মার্চ) বিমানবন্দরে মোশাররফের মরদেহ গ্রহণ করে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে মোশাররফের মরদেহ বহনকারী সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট (এসভি ৮০৬) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সৌদি আরবের আল-খারিজ শহরের কাছে আল-তোয়াইক এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন প্রবাসী বাংলাদেশি মোশাররফ হোসেন।
মরদেহ গ্রহণ করে বিমানবন্দরে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সৌদি আরবে মিসাইলের আঘাতে নিহত মোশাররফ হোসেনের দুই সন্তানের শিক্ষা খরচ চালাবে সরকার। যুদ্ধকালীনে প্রবাসীদের পাশে থাকবে সরকার
উপস্থিতিতে মোশারফ হোসেনের মরদেহ গ্রহণ করে তার পরিবার। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাবস্থাচলা দেশগুলোর মিশন এবং দূতাবাসগুলো সর্তক রয়েছে।
বাংলাদেশ বিমানের স্ট্যার্টার্ড ফ্লাইটে সরকারের খরচে একটি বিমানে ফেরত আসছেন প্রবাসীরা এবং এ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।
সৌদি আরবের স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে রিয়াদ থেকে সৌদি এয়ারলাইনসের ওই ফ্লাইটে নিহত মোশারফ হোসেনের মরদেহ ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। নিহত মোশাররফ হোসেনের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখীপুরে। তিনি উপজেলার কীর্ত্তনখোলা গ্রামের মো. সুরজত আলীর ছেলে। গত ৮ মার্চ সৌদি আরবে একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মোশারফ নিহত হন। ইফতারের ঠিক আগমুহূর্তে চালানো ওই হামলায় মোশারফসহ মোট তিন জন প্রাণ হারান।
তার পরিবারের সদস্যরা জানান, জীবিকার সন্ধানে আট বছর আগে সৌদি আরব গিয়েছিলেন মোশাররফ হোসেন। দুই বছর আগে তিনি একবার দেশে এসেছিলেন। এরপর কর্মস্থলে ফিরে যান। মৃত্যুর মাত্র আধা ঘণ্টা আগেও বড় ছেলে মাহিমের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেছিলেন তিনি। সেটিই ছিল পরিবারের সঙ্গে তার শেষ আলাপ।
বাংলাদেশ সময়: ১২:৫৫:১১ ১৪ বার পঠিত