
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে দেশের জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে আইএমএফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।
জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত অর্থ যোগানের ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, সেগুলো আমাদের আলোচনার মধ্যে আছে। আমরা স্প্রিং মিটিংয়ে ওয়াশিংটনে যাচ্ছি, সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
আইএমএফের লোন আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, ওটা আলাপ-আলোচনা চলছে। আইএমএফের যে রিকয়ারমেন্ট, কতটুকু সম্ভব আলোচনা করেছি। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেগুলো সম্ভব নয়, সেগুলো ক্রমান্বয়ে করতে হবে। একসঙ্গে সব করা যাবে না। কারণ অর্থনীতি যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, সেখান থেকে উত্তরণ করতে হলে আমাদের মতো করেই কিছু চিন্তা করতে হবে।
এ বিষয়ে কোনো ছাড় চাচ্ছেন কি না, এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ওটা জুলাইয়ে পরবর্তী রিভিউয়ে আলাপ হবে। এর মধ্যে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার দেয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আমরা বাজেটের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকারের এক মাস হয়েছে। এক মাসের মধ্যে রমজান মাস ছিল। এর মধ্যে যুদ্ধও শুরু হয়েছে। তেলের জ্বালানি সংকট সত্ত্বেও পরিবহনে কোনো সমস্যা হয়নি। পরিবহনে ঈদের সময় সবাই বাড়িতে যেতে পেরেছেন। ভাড়া বাড়েনি, দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল। এর মধ্যে গার্মেন্টসে প্রত্যেক বছর যে সমস্যাগুলো ঈদের আগে হয়; এবার কোনো অস্থিরতা ছিল না। এগুলো আমাদের অর্থনৈতিক ম্যানেজমেন্টের কারণে সম্ভব হয়েছে।
আমির খসরু বলেন, ‘সঠিক সময়ে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছি বলে পুরো রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল। পরিবহনে কোনো সমস্যা হয়নি। তেলের এত বড় সংকট থাকা সত্ত্বেও তেলের অভাবে কোনো পরিবহন বন্ধ ছিল না এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন সঠিক সময়ে দেয়া হয়েছে। কোনো অস্থিরতা ছিল না। এ পর্যন্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৬:৪৩ ৭ বার পঠিত