![]()
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামের সাথে আজ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাতে তারা দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেন।
মন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতি হলো বিভিন্ন দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সেতুবন্ধন রচনার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম। তিনি বলেন, শিল্পী, গায়ক ও যন্ত্রীসহ লোকশিল্প এবং কারুশিল্প বিনিময়ের ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। পুরাকীর্তি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের বিষয়ে পাকিস্তানের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের প্রস্তাবকে মন্ত্রী সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন, বিশেষ করে ধ্রুপদী সংগীত এবং লোকসংগীতের শিল্পীদের নিয়মিত বিনিময় কর্মসূচি দুই দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করবে। পাকিস্তানি হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের চিত্রশিল্পী ও কারুশিল্পীদের অংশগ্রহণে যৌথ প্রদর্শনী আয়োজনের বিষয়ে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। ১৯৭৯ সালের সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তি এবং ‘সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি ২০২৫-২০২’-এর আওতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে আরো সুসংগঠিত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হন।
প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতির আদান-প্রদান আমাদের সম্পর্ককে আরো গভীর করবে। বৈঠকে শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারে দুই দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি এবং ফেলোশিপের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:১৫:৩৭ ৫ বার পঠিত