
আমদানীকৃত পণ্যের দ্রুত খালাস নিশ্চিত করতে এবং ব্যবসায়ীদের বন্দরে ড্যামারেজ খরচ থেকে রক্ষা করতে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর সংশ্লিষ্ট সেবা চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পসচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআই প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত স্টেকহোল্ডার গণশুনানিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
শিল্পসচিব বলেন, এ উদ্যোগের ফলে আমদানীকৃত পণ্যের দ্রুত ছাড়পত্র নিশ্চিত হবে এবং বন্দরে অপ্রয়োজনীয় ড্যামারেজ ব্যয় কমবে।
একই সঙ্গে সিটিজেন চার্টারে নির্ধারিত সময়ের চেয়েও কম সময়ে ছাড়পত্র প্রদানের জন্য বিএসটিআই কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সরকার নিজে ব্যবসা করে না; বরং ব্যবসাবান্ধব নীতি সহায়তা ও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে দেয়। দেশের উন্নয়নের গতি বজায় রাখতে ব্যবসায়ীদের যেকোনো সমস্যায় সরকার পাশে থাকবে।
বিএসটিআই মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এম এ কামাল বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, স্কয়ার টয়লেট্রিজ, সিটি গ্রুপ, ওয়ালটন, এসিআই, পোলার আইসক্রিম, অলিম্পিক বেকারি অ্যান্ড কনফেকশনারি লিমিটেড, অলিম্পিয়া বেকারি, ট্রাস্ট ইনফিনিটি ফার্মস ও পিয়ারলেস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
গণশুনানিতে নকল পণ্য উৎপাদনকারী অবৈধ প্রতিষ্ঠানের উৎস শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, পণ্যের মান নির্ধারণে এসআরও প্রকাশের সময়সীমা কমানো, ফুড গ্রেড কালার ব্যবহারের আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা, সুগার ও নন-সুগার রুটি-পাউরুটির মান একীভূতকরণ এবং লাইভ বেকারিগুলোতে অভিযান জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিএসটিআই মহাপরিচালক বলেন, ব্যবসায়ীরাই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তারা আমাদের সেবাগ্রহীতা।
সেবায় কোনো ঘাটতি থাকলে জবাবদিহি করতে আমরা বাধ্য। আলোচনায় উত্থাপিত বিষয়গুলো দ্রুত বাস্তবায়নে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭:১২:১৭ ১৪ বার পঠিত