![]()
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশে কোরবানির সময় সংগৃহীত মোট চামড়ার প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই বি-গ্রেডের হয়ে থাকে। পশুর শরীর থেকে চামড়া ছাড়ানোর সময় অসতর্কতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে চামড়ার গুণগত মান নষ্ট হয়।
এ বছর কতটুকু চামড়া সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও আগামী বছর পরিস্থিতির উন্নতি হবে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ২০ থেকে ২২ হাজার মানুষকে চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৫ মে) কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘কাঁচা চামড়া অত্যন্ত সংবেদনশীল পণ্য।
সময়মতো ও সঠিক পরিমাণে লবণ ব্যবহার না করলে চামড়া দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এই ব্যবস্থাপনা উন্নত করা গেলে ট্যানারি মালিকরাও বেশি দামে চামড়া কিনবেন। দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। কৃষির উন্নয়ন ঘটলে মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থারও উন্নতি হবে।
এ ছাড়া এবার কোরবানিকে ঘিরেও আমরা নানা পরিকল্পনা করেছি।’
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘অতীতে কৃষকরা নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে একজন কৃষকের নামে ঋণ নিয়ে অন্যরা সেই সুবিধা ভোগ করেছে। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে কৃষকদের বের করে আনতে কাজ করছে।’
এসময় কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন, তৌহিদুল আনোয়ার, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুম ও সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হানসহ রাজনৈতিক সামাজিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্তকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কৃষক-কিষানিদের মাঝে থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় ব্যানানা জাতের আমের কলম, ধান কাটার যন্ত্র, ভুট্টা মাড়াই যন্ত্র, এলএলপি এবং হ্যান্ড স্প্রেয়ার বিতরণ করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:৪৫:৫১ ১৬ বার পঠিত