
জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে কোরবানির পশুর হাটে মহিষের আক্রমণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ জনে। এছাড়া মহিষের এই আকস্মিক হামলায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
সোমবার (২৫ মে) রাতে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মজিবুর রহমান (৫০) নামের ওই ব্যক্তি মারা যান। তিনি সানন্দবাড়ী এলাকার চর মাদার গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে।
এর আগে, গত রোববার (২৪ মে) উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী কোরবানির পশুর হাটে মহিষের প্রথম আক্রমণের শিকার হয়ে রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তি মারা যান। তিনি কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার জাউনিয়ার কড়াইডাঙ্গীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার স্থানীয় আকন্দপাড়া গ্রামের এক ব্যবসায়ী বিক্রির উদ্দেশ্যে কয়েকটি মহিষ নিয়ে সানন্দবাড়ী হাটে আসেন। হাটে তোলার পরপরই একটি মহিষ হঠাৎ প্রচণ্ড উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং বিক্রেতার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। একপর্যায়ে মহিষটি পুরো হাটজুড়ে ছোটাছুটি শুরু করে এবং সামনে যাকে পায় তাকেই আক্রমণ করতে থাকে।
মহিষের আক্রমণ থেকে বাঁচতে হাটে থাকা ক্রেতা-বিক্রেতারা আতঙ্কে দিগ্বিদিক দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। এতে রাজিবপুরের রুহুল আমিন ও মাদার গ্রামের মজিবুর রহমানসহ অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হন।
রোববার ঘটনার পরপরই গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে রুহুল আমিনের মৃত্যু হয় এবং মজিবুর রহমান কে প্রথমে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
বাংলাদেশ সময়: ১২:৪৬:৪৮ ৩ বার পঠিত