বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সীমান্তের সেই বৃদ্ধকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » সীমান্তের সেই বৃদ্ধকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬



সীমান্তের সেই বৃদ্ধকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে পুশইনের অপেক্ষায় থাকা সেই বৃদ্ধকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ছষ্ঠী চন্দ্র বর্মণ নামের ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি ও পুলিশ।

পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৫টার দিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ছষ্ঠী চন্দ্র বর্মণ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চাঁন্দলাই গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি বাংলাদেশের নাগরিক।

এর আগে বুধবার (১০ জুন) সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্ত এলাকায় ছষ্ঠী চন্দ্র বর্মণ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ঘোরাফেরা করছিলেন। তিনি নিজের নাম-পরিচয় ও ঠিকানা স্পষ্টভাবে বলতে পারছিলেন না। ওই বৃদ্ধকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা, বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় পুরো সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি দুই দেশের সীমান্তবর্তী নাগরিকদের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

বৃদ্ধের ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মণ জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ভাই ছষ্ঠী চন্দ্র বর্মণের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি আরও জানান, প্রায় আড়াই মাস আগে দুর্বল বুদ্ধিসম্পন্ন ছষ্ঠী চন্দ্র বর্মণ নিখোঁজ হন। পরে কোনোভাবে সীমান্ত পার হয়ে তিনি ভারতে চলে যান বলে তাদের ধারণা।

বিজিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে ছষ্ঠী চন্দ্র বর্মণের পরিচয় যাচাই-বাছাই শেষে সীমান্তের ১০৮২ নম্বর আন্তর্জাতিক পিলারের শূন্যরেখা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরে তাকে বকশীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ছষ্ঠী চন্দ্র বর্মণকে থানায় আনা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৫৬:৩৯   ১১ বার পঠিত