শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

জামালপুরে ১৫ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জামালপুরে ১৫ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬



জামালপুরে ১৫ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

জামালপুরে বিশেষ অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজাসহ চার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ জানায়, শেরপুর থেকে একটি প্রাইভেটকারে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নিয়ে জামালপুর শহরের দিকে আসছে একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্র। এমন তথ্যের ভিত্তিতে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) এস. এম. নুরমোহাম্মদের নেতৃত্বে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কুটুরিয়া এলাকায় শেরপুর ব্রিজের দক্ষিণ পাশে জামালপুর-শেরপুর মহাসড়কে বিশেষ চেকপোস্ট বসানো হয়।

চেকপোস্টে ঢাকা মেট্রো-গ-২৭-৯৯০১ নম্বরের একটি সাদা টয়োটা প্রবোক্স প্রাইভেটকার থামানোর সংকেত দিলে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। তবে পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় তাদের আটক করা হয়।

পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে গাড়িটি তল্লাশি করে গ্যাস সিলিন্ডারের নিচে বিশেষভাবে তৈরি স্টিলের বক্স থেকে খাকি কস্টেপে মোড়ানো ছয়টি প্যাকেটে মোট ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার বড়টোডা বিশনাউড়ি এলাকার আক্তার হোসেন (৪৫), শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কুরুয়া ভাটিপাড়া এলাকার মিন মোক্তার ওরফে মনির হোসেন (৪৬), একই এলাকার বিল্লাল হোসেন (৫৫) এবং কুরুয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার গাড়িচালক সাগর (৩০)।

এ ঘটনায় গ্রেফতার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) এর ১৯(খ) ধারায় জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকের উৎস, সরবরাহকারী চক্র এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে জামালপুর জেলা পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সমাজকে মাদকের অভিশাপ থেকে রক্ষা করতে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।”

বাংলাদেশ সময়: ১৯:২০:১৪   ২১ বার পঠিত