সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সোনালী আঁশে স্বপ্ন বুনছেন চাষীরা লক্ষমাত্রা অর্জন হয়েছে দাবি কৃষি অধিদপ্তরের

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » সোনালী আঁশে স্বপ্ন বুনছেন চাষীরা লক্ষমাত্রা অর্জন হয়েছে দাবি কৃষি অধিদপ্তরের
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬



সোনালী আঁশে স্বপ্ন বুনছেন চাষীরা লক্ষমাত্রা অর্জন হয়েছে দাবি কৃষি অধিদপ্তরের

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলায় চলতি মৌসুমে পাট চাষে দেখা দিয়েছে অনুকূল পরিবেশ ও আশাব্যঞ্জক ফলনের সম্ভাবনা। পর্যাপ্ত বৃষ্টি, সরকারি সহায়তা এবং বাজারে ভালো দামের কারণে কৃষকদের মাঝে তৈরি হয়েছে ‘সোনালী স্বপ্ন’।

চলতি মৌসুমে মধুখালীতে মোট ৮৬৫৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৬৫০ হেক্টর। লক্ষমাত্রা পূরন হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়। উপজেলার রায়পুর, মেগচামী, কোরকদী, বাগাট, কামারখালী ও পৌর এলাকার কৃষিজমিতে পাটের চাষ বিস্তৃত হয়েছে।

কামারখালী ইউনিয়ের সালামতপুর গ্রামের কৃষক মিল্টন জানান, মৌসুমের শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাটের গাছ ভালোভাবে বেড়ে উঠেছে। তবে পাট জাগ দেওয়ার জায়গা সংকট এখনও বড় সমস্যা হয়ে আছে। ডোবা ও জলাশয় ভরাট হয়ে যাওয়ায় একাধিকবার একই স্থানে পাট জাগ দিতে হচ্ছে, ফলে সময়মতো প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় আশের গুণগত মানে প্রভাব পড়ছে।

অন্যদিকে, “উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ প্রকল্প”-এর আওতায় কৃষকরা বিনামূল্যে বীজ ও সার পাচ্ছেন। পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে পাট চাষের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলার কোরকদী ইউনিয়নের পাচঁ কোরকদী গ্রামের কৃষক কার্তিক কুমার জানান, এবারের পাট গাছ ইতোমধ্যে ৪ থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত বেড়ে উঠেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার পাটের ভালো ফলন এবং আশ থেকে সন্তোষজনক আয় পাওয়ার আশা করছেন তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব ইলাহী বলেন, বৃষ্টিপাত অনুকূলে থাকায় পাটের আবাদ ভালো হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগ নিয়মিত তদারকি ও পরামর্শ দিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ বছর কৃষকরা পাট ও পাটকাঠি থেকে ভালো মূল্য পাবেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:৪৭:৫৯   ১৯ বার পঠিত