![]()
সুমাইয়া আক্তার সিমু (২২) নগরকান্দা উপজেলার ফুলসূতি এলাকার মেয়ে।পারিবারিক ভাবেই ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মহেশ্বরদী এলাকায় বিয়ে হয়।স্বামী প্রবাসী এবং একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।
সুমাইয়া মাঝেমধ্যেই কেনাকাটা করার জন্য পুখুরিয়া এলাকায় যায়।সেখানে গিয়ে কেনাকাটার মধ্য দিয়েই সখ্যতা হয় দুই সন্তানের জনক পুখুরিয়ার কসমেটিক ব্যবসায়ী দোকানদার হানিফের (৩০) সঙ্গে।সখ্যতা থেকে সম্পর্ক মোড় নেয় প্রেমের দিকে।
ঘটনা’টি এক কান দুই কান হতে থাকে,একবার এলাকার লোকজন হানিফের দোকানের মধ্যেই তাদেরকে ধরে ফেলে,সেই ঘটনা প্রবাসী স্বামীর কান অবধি পৌঁছে যায়।সংসার বাঁচাতে প্রবাসী স্বামী দেশে চলে আসে এবং শ্বশুরদের এলাকায় অর্থাৎ নগরকান্দায় বাসা ভাড়া নিয়ে কয়েকমাস বসবাস করে পুন:রায় জীবন জীবিকার তাগিদে কাতারে পাড়ি জমান! স্বামী কাতারে চলে যাওয়ার পরেই আবারও সুমাইয়া এবং হানিফের মাঝে যোগাযোগ শুরু হয়।
সুমাইয়ার প্রবাসী স্বামীর ভাতিজা মাহবুল বলেন- আমার চাচার নগরকান্দার বাসার সমস্ত মালামাল কাকী তাহার বাবার বাড়িতে নিয়ে যায় এবং বাসা ছেড়ে দেয়,আমরা কাকীকে অনেক বুঝিয়েছি কিন্তু কাকী কারো কথা না শুনে পুখুরিয়ার কসমেটিকস দোকানদার হানিফের সাথে তিনি সম্পর্ক করে আমার চাচাকে তালাক দিয়ে চলে যায়।
এই সম্পর্কের পরবর্তী কাহিনী ইতিমধ্যেই আপনারা অনেকেই যেনেছেন।
সুমাইয়া এবং হানিফ মাসখানেক আগে ভাঙ্গা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের হোগলাডাঙ্গী সদরদী অর্থাৎ আমার বাসার সামান্য একটু দূরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতো।তাদের দাম্পত্য জীবনের শুরু থেকেই দাম্পত্যকলহ শুরু হয়।সুমাইয়া আক্তারের দাবী তার স্বামী হানিফ ১ম স্ত্রী ছাড়াও আরও মেয়েদের সাথে সম্পর্ক রয়েছে,এদিকে হানিফের ব্যাবসা হচ্ছে কসমেটিকস ব্যবসা, সারাদিন কাষ্টমারই তার মেয়ে কাষ্টমার!এই নিয়ে প্রতিদিনই তাদের ঝ’গড়া বিবাদ চলতে থাকে।সুমাইয়ার দাবী তিনি হানিফ’কে নগদ ৮ লক্ষ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালংকার দিয়েছেন এই নিয়েও ঝগড়া ঝাটি চলতো।
ঘটনার দিন স্বামী হানিফ ঘুমিয়েছিল সেই সময় স্ত্রী সুমাইয়া ধা’রালো ব্লে’ড দিয়ে হানিফের লি/ঙ্গকর্তন করে।
এই মুহূর্তে স্ত্রী সুমাইয়া সিমু জেল হাজতে এবং স্বামী হানিফ ঢাকা মেডিকেলে মৃ’ত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
আমার কথা হলো আমরা হোগলাডাঙ্গী সদরদীর মানুষ অত্যন্ত ভদ্র এবং নিরীহ, এইসব উটকো ঝুট- ঝামেলা আমাদের এলাকায় এসে আমাদের এলাকার সুনাম ক্ষুন্ন করেছে।তাই আপনারা যারা বিভিন্ন গ্রাম অথবা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে আমাদের পৌর এলাকায় বাড়ী করছেন অথবা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছেন তাদের প্রতি সবিনয়ে অনুরোধ করবো আপনাদের দ্বারা যেন ভাঙ্গার সুনাম নষ্ট না হয়।
ঘটনা সম্পর্কে অনেকেই জানতে চেয়েছেন তাই আমি যতোটুকু জানতে পেরেছি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম ।
বাংলাদেশ সময়: ১৩:৪৪:৫০ ৫৮ বার পঠিত