মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

সরকারি খাস জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » সরকারি খাস জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে : ভূমিমন্ত্রী
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬



সরকারি খাস জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু আজ বলেছেন, সরকারি খাস জমি অবৈধ দখলমুক্ত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, ‘ভূমিদস্যুমুক্ত সরকারি খাস জমি নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাস জমি প্রকৃত ভূমিহীন মানুষের মধ্যে বিতরণেও সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।’

জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে ভোলা-৪ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের উত্থাপিত জরুরি জন গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে সরকারি খাস জমি উদ্ধার কার্যক্রমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের খাস জমি বিতরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, কোনো এলাকায় ৪০ থেকে ৪৫ বছর ধরে বসবাসরত দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) মাধ্যমে খাস জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মকর্তার ব্যর্থতার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার নৈতিক দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি পূর্ববর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সে সময় আমলে স্থানীয় ভূমিদস্যুরা সরকারি সম্পত্তি দখল করেছে।

খাস জমির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে প্রতিটি পরিবারকে এক থেকে দুই কাঠা করে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মন্ত্রী জানান, অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার এবং উদ্ধারকৃত খাস জমি যোগ্য উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণের জন্য সরকার ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার করতে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভূমি ও ভবন (দখল পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ, ১৯৭০, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এবং ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা, ২০২৪-এর বাস্তবায়ন।

তিনি আরও জানান, মাঠপর্যায়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কার্যক্রমের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ২২:০৬:০৭   ১১ বার পঠিত