শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

সরিষাবাড়ীতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি, দুইজন গ্রেফতার, ১ জনের বিরুদ্ধে ৮ মামলা

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » সরিষাবাড়ীতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি, দুইজন গ্রেফতার, ১ জনের বিরুদ্ধে ৮ মামলা
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬



সরিষাবাড়ীতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি, দুইজন গ্রেফতার, ১ জনের বিরুদ্ধে ৮ মামলা

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একটি শিল্প গ্রাহকের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের কয়েল চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সরিষাবাড়ী থানাধীন চাপারকোনা এলাকায় জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের আওতাধীন শিল্প গ্রাহক জনাব মোঃ আমিনুল হকের পতিত জমিতে একটি ১০ KVA ক্ষমতার বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার (মূল্য ৮৬,০১৬/- টাকা) স্থাপিত ছিল। গত ১২ জুলাই রাত ১০ টা থেকে ১৩ জুলাই সকাল ৬ টার মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা কৌশলে উক্ত ট্রান্সফরমারের মূল্যবান কয়েলটি চুরি করে নিয়ে যায়।

​পরবর্তীতে শিল্প গ্রাহক আমিনুল হক বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সরিষাবাড়ী জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজারকে (এজিএম) অবগত করলে অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

​মামলাটির তদন্ত চলাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রামপুর গ্রামের মিনহাজ আলীর ছেলে হৃদয় মনি(২৫)। তাকে ৩০ জুলাই রাত পৌনে ১১ টায় রামপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে বাউসী বাঙ্গালীপাড়া গ্রামের মৃত মোজাফফর এর ছেলে মুক্তার(৩৩)। তাকে ৩১ জুলাই সকাল সাড়ে ৯ টায় বাউসী বাজার এলাকা থেকে স্থানীয় জনগণ কর্তৃক আটক অবস্থায় পুলিশ গ্রেফতার করে।

​প্রাথমিক তদন্তে ধৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে উক্ত চুরির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের সেন্ট্রাল ডাটাবেজ (CDMS) পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মুক্তার একজন পেশাদার অপরাধী। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে সরিষাবাড়ী ও জামালপুর সদর থানায় চুরি, মাদক, মারামারি ও সরকারি হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টাসহ মোট ৮টি মামলা রয়েছে। মামলাগুলোর বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই শাহিন মিয়া জানান, চুরির মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আসামীরা জামিনে মুক্তি পেলে পুনরায় একই ধরণের চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটানোসহ এলাকা থেকে পলাতক হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আসামীদের কারাগারে আটকে রাখার আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:২৫:০২   ২২ বার পঠিত