
বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক যেন শান্তি, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্র ও বৈষম্যমুক্ত সুসম বণ্টনের ভিত্তিতে মিলেমিশে বসবাস করতে পারে, সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু।
আজ বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী সাচিং প্রু’র সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জাঁ-মার্ক সেরে-শার্লে (Mr. Jean-Marc SERE-CHARLET)-এর নেতৃত্বে দুই সদস্যের এক প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী সাচিং প্রু আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ তথা পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে ফ্রান্স সরকারের বিদ্যমান সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনীতির চাকাকে শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ রক্ষা, কৃষি, ইকো-ট্যুরিজম, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে।
পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করছে।
সেখানে মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার মান বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার উন্নয়নে একাধিক প্রকল্প চলমান রয়েছে। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে কৃষি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে কফি ও কাজুবাদাম চাষে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকে পাহাড়ে পরিবেশবান্ধব ইকো-ট্যুরিজম, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, সুষম উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, নারীর ক্ষমতায়ন, সুপেয় পানি সরবরাহ এবং মানবাধিকার সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স সরকার আরো ঘনিষ্ঠভাবে একযোগে কাজ করার বিষয়ে একমত পোষণ করে।
দ্বিপক্ষীয় এ আলোচনাকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের গভর্ন্যান্স অ্যান্ড হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাটাচে এমিলি পালাহুন (Mrs. Emilie Palahoune) এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ রাশেদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৭:১৭:৩৬ ৪ বার পঠিত