খাদ্য অপচয় রোধে সমন্বিত জাতীয় কৌশল প্রণয়নের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » খাদ্য অপচয় রোধে সমন্বিত জাতীয় কৌশল প্রণয়নের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬



খাদ্য অপচয় রোধে সমন্বিত জাতীয় কৌশল প্রণয়নের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি বলেছেন, খাদ্য অপচয় রোধে একটি সমন্বিত জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো একক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব নয়। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, পরিবেশ, শিল্প ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সমন্বয় যত শক্তিশালী হবে, ফলাফল তত কার্যকর হবে।

আজ বুধবার ঢাকার হোটেল শেরাটনে ‘খাদ্য সাশ্রয় করুন,বাংলাদেশের খাদ্যের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করুন: খাদ্য অপচয় ও ক্ষয়ক্ষতি বিষয়ক জাতীয় সংলাপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ফুড প্ল্যানিং অ্যান্ড মনিটরিং ইউনিট(এফপিএমইউ) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশ কার্যালয় যৌথভাবে এ জাতীয় সংলাপের আয়োজন করে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সংলাপ শুধু আলোচনায় সীমাবদ্ধ না রেখে কার্যকর সিদ্ধান্ত ও বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে, যার সুফল মানুষের জীবনে দৃশ্যমান হবে।

খাদ্য অপচয় রোধ মানে শুধু খাদ্য সাশ্রয় নয়; বরং কৃষকের শ্রমের মর্যাদা, জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও ভোক্তা পর্যায়ে সচেতনতা বাড়িয়ে উৎপাদিত খাদ্যের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে খাদ্য অপচয় রোধে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষক, উৎপাদক ও ভোক্তাদের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।

সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফএও-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি মি. জিয়াওকুন শি খাদ্য অপচয় ও ক্ষতি কমাতে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন এফপিএমইউ -এর মহাপরিচালক মো. মাহাবুবুর রহমান।

মূল বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল আলম, অধ্যাপক নওশাদ আলম ও ড. এম. খালেকুজ্জামান। তারা খাদ্য অপচয় ও ক্ষতি হ্রাসের চ্যালেঞ্জ এবং কার্যকর কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।

উল্লেখ্য, এফএও-এর হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় ১৩.৩ শতাংশ খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই নষ্ট হয়। অন্যদিকে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি- ইউএনইপি এর হিসাবে, ২০২২ সালে পরিবার, খাদ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে প্রায় ১০৫ কোটি টন খাদ্য অপচয় হয়েছে।

খাদ্য অপচয় ও ক্ষতি কমানো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ১২.৩ অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

জাতীয় সংলাপে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তা, খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, দেশি-বিদেশি গবেষক, বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:১৩:০৮   ২৯ বার পঠিত  







পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


ইতিহাসের এই দিনে
আল কোরআন ও আল হাদিস
যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ ও সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হবে : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
আল-সায়েদের বিজয়ে কর্ণাটকে উল্লাস
৭ নভেম্বরের চেতনা গণতন্ত্র ও স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করেছে : রিজভী
গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়া, এ শিল্পের প্রতি বিএনপির দরদ বেশি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ভুটানকে হারিয়ে সাফ মিশন শুরু করল বাংলাদেশ
আ.লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি
ডিসেম্বরেই মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট শুরু
কপ৩১ সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক কার্যকর সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ : পরিবেশমন্ত্রী

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ