জুমার দিনে হাদিসে বর্ণিত ১২ করণীয়

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জুমার দিনে হাদিসে বর্ণিত ১২ করণীয়
শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪



জুমার দিনে হাদিসে বর্ণিত ১২ করণীয়

জুমার দিন ইসলামের একটি বিশেষ দিন। ইসলামে জুমার দিনের অপরিসীম গুরুত্ব। জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। ‘জুমা’ শব্দটি ‘জমা’ শব্দ থেকে এসেছে। জমা আরবি শব্দ। এর অর্থ একত্র হওয়া বা একত্র করা।

পবিত্র কোরআনে সুরা জুমা নামে একটি স্বতন্ত্র সুরা রয়েছে। তাফসিরবিদরা বলেন, সুরা জুমার আগের সুরার নাম হলো সুরা ‘সফ’। সফ অর্থ কাতার বা সারি। জুমার নামাজ সারিবদ্ধভাবে আদায় করা হয়। এতে ঐক্য ও শৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, এতে এই ইঙ্গিত রয়েছে।

কোরআনে জুমার আলোচনা

প্রত্যেক সাবালক জ্ঞানসম্পন্ন মুসলমান পুরুষের জন্য মসজিদে গিয়ে জুমার নামাজ পড়া ফরজ। এ নামাজ জামাতে আদায় করতে হয়। এ কারণেই মহান আল্লাহ জুমার দিন দ্রুত মসজিদে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন-

يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا إِذَا نُوْدِيَ لِلصَّلاَةِ مِنْ يَّوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَى ذِكْرِ اللهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ، ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ অর্থ: হে ঈমানদারগণ, যখন জুমার দিন নামাজের জন্য আহ্বান করা হবে, তখন তোমরা দ্রুত আল্লাহর স্মরণের জন্য উপস্থিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ কর। এটিই তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা বুঝতে পারো। (সুরা জুমা ৯)

নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসে এ দিনে ৮টি করণীয় উল্লেখ করেছেন।
১. গোসল করা (বুখারি: ৮৭৭)
২. মিসওয়াক করা (ইবনে মাজাহ: ১০৯৮)
৩. উত্তম পোশাক পরিধান করা (আবু দাউদ: ৩৪৩)
৪. সুগন্ধি ব্যবহার করা (বুখারি: ৮৮০)
৫. মসজিদে প্রবেশের পর অন্য মুসল্লিদের ফাঁক করে বা গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যাওয়া (বুখারি: ৯১০, ৮৮৩)
৬. কাউকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে বসার চেষ্টা না করা (বুখারি: ৯১১)
৭. নামাজের জন্য কোনো একটা জায়গাকে নির্দিষ্ট করে না রাখা, যেখানে যখন জায়গা পাওয়া যাবে সেখানেই নামাজ আদায় করা (আবু দাউদ: ৮৬২)
৮. নির্ধারিত নামাজ আদায় করা। এমনকি ফরজ নামাজের আগে ও পরে দুই-চার রাকাত করে নফল নামাজ আদায় করা (বুখারি: ৯৩০)
৯. পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া (মুসলিম: ১৪০০)
১০. খুতবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা (আবু দাউদ: ১১০৮)

১২. ইমামের খুতবার জন্য বের হওয়া থেকে নামাজ শেষ করা পর্যন্ত নীরবতা অবলম্বন করা। তবে কাউকে কথা বলতে দেখলে তাকে চুপ করতে বা বারণ করতে বলাও অনর্থক কাজ। (আবু দাউদ: ১১১২)
উপরোক্ত কাজগুলো যথাযথ পালনের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির জন্য এ জুমা ও তার পূর্ববর্তী জুমার মধ্যবর্তী সব গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে। (আবু দাউদ: ৩৪৩)

বাংলাদেশ সময়: ১১:২৬:২৪   ৪৮৩ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


ইতিহাসের এই দিনে
আল কোরআন ও আল হাদিস
সিরাজগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হলেন অধ্যক্ষ শরীফুল ইসলাম
গুজব ও অপতথ্য ছড়িয়ে দুর্গোৎসবকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ দেওয়া হবে না
শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি ২০-২২ অক্টোবর
প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে কাজ করতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ন্যায়বিচার চাইলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী
বিশ্বের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ : শামা ওবায়েদ
৮ বছর পর নারায়ণগঞ্জ সদরে কাব ক্যাম্পুরী, অংশ নেবে ৫৫০ শিশু
সোনারগাঁয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র-সিএনজিসহ গ্রেপ্তার ৬

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ