বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে পাকিস্তানের আগ্রহ প্রকাশ

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে পাকিস্তানের আগ্রহ প্রকাশ
বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট ২০২৫



বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে পাকিস্তানের আগ্রহ প্রকাশ

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং জীবনাচরনের দিক দিয়ে দুদেশের মানুষের প্রচুর মিল রয়েছে। আর পাকিস্তানের টেক্সটাইল ও বিশেষ করে জুয়েলারি পণ্য এদেশের মানুষের মাঝে বেশ চাহিদা রয়েছে। এদিকে বাংলাদেশর সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে পাকিস্তান আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দেশটির পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ডিসিসিআই’র মতিঝিল কার্যালয়ে বাংলাদেশে সফররত পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, সংষ্কৃতি ও জীবনাচরনের দিক দিয়ে দুদেশের মানুষের প্রচুর মিল রয়েছে এবং পাকিস্তানের টেক্সটাইল ও বিশেষ করে জুয়েলারি পণ্য এদেশের মানুষের মাঝে বেশ চাহিদা রয়েছে।

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উন্নয়নে এফটিএ স্বাক্ষরের জন্য এদেশের বেসরকারিখাত সবসময়ই সরকারকে প্রস্তাব দিয়ে আসছে এবং পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের এফটিএ স্বাক্ষর হলে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সম্প্রসারিত হবে।

তিনি বলেন, দুদেশের মধ্যে সরাসরি বিমান ও কার্গো যোগাযোগ চালু হলে দুদেশের ব্যবসায়ীক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।

পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয়ই রফরতানির ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক এবং টেক্সটাইল খাতের উপর অধিকমাত্রায় নির্ভরশীল। দুটো দেশেরই রপতানি পণ্যের বহুমুখীকরণের উপর জোরারোপ করা প্রয়োজন।

তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপের দেশগুলোসহ কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত পোশাকের নতুন ডিজাইনের মাধ্যমে পুনঃব্যবহারের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। যেখানে দুদেশের পোশাক খাতের উদ্যোক্তাদের মনোনিবেশ করা আবশ্যক। যার মাধ্যমে রফতানি বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

তিনি জানান, পূর্ব আফ্রিকা ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে দুদেশের পণ্য রফতানি বাড়াতে একযোগে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, সিমেন্ট, চিনি, পাদুকা ও চামড়া প্রভৃতি খাতে পাকিস্তানের বেশ ভালো করছে এবং বাংলাদেশ চাইলে পাকিস্তান হতে এ পণ্যগুলো আমদানি করতে পারে। পাশাপাশি ঔষধ খাতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা পাকিস্তানের জন্য বেশ কার্যকর হবে বলে মত প্রকাশ করেন।

পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দুদেশের কৃষিকাজ এবং পণ্যের উৎপাদনে নতুন প্রযুক্তি ও মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি করা গেলে এখাতে বৈশ্বিক বিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের রফতানির সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি জানান, পাকিস্তানের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে শিগগিরিই বাংলাদেশে ‘সিঙ্গেল কান্ট্রি এক্সিবিশন’-এর আয়োজন করা হবে, যার মাধ্যমে দুদেশের বেসরকারিখাতের সম্পর্ক আরো জোরাদারের সুযোগ তৈরি হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ এবং পাকিস্তান হাইকমিশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৩৭:১০   ২৮৩ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


আল কোরআন ও আল হাদিস
অভিবাসন ও যোগাযোগ খাতে নজরদারি বাড়াচ্ছে মালয়েশিয়া
ঢাকা কলেজে শেষ হলো পঞ্চম ডিডিএস জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা
বাংলাদেশ-কাতার জ্বালানি ও অর্থ খাতে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে সম্মত
দুর্যোগ মোকাবিলায় ১২ উপকূলীয় জেলায় ১২ স্পিডবোট হস্তান্তর
তারেক রহমানের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্যদের সাক্ষাৎ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে কাজ করছে সরকার
সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী
টেকসই উন্নয়নের জন্য সমতার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে- তথ্যমন্ত্রী
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ