সংস্কৃতির ভেতরেই রাজনীতির সৃজনশীলতা নিহিত : দুদু

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » সংস্কৃতির ভেতরেই রাজনীতির সৃজনশীলতা নিহিত : দুদু
শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫



সংস্কৃতির ভেতরেই রাজনীতির সৃজনশীলতা নিহিত : দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘রাজনীতির সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ রূপ হচ্ছে সংস্কৃতি। সংস্কৃতিতেই দেশের জীবনব্যবস্থা, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের সম্পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে।’

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুরাগ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজিত আলোচনা, সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অনুরাগ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা মতিহার।

এ সময় বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি শামীম মাহমুদ, অভিনেতা এ বি এম সোহেল রশিদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রুবিনা আলমগীর, সাংবাদিক আকাশমনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি বরং পাকিস্তানিদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। ঠিক সেই সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই থেমে থাকেননি, নয় মাস রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। শত শহীদের মত তিনিও শহীদ হতে পারতেন কিন্তু আল্লাহ তাকে জীবিত রেখেছিলেন। তিনি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে আবার তিনি তার পেশায় চলে গিয়েছিলেন রাজনীতিতে আসেননি। নানান বিবর্তনের মধ্যে এক সময় সিপাহি-জনতা ৭ই নভেম্বরে তাকে আবার সামনে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি দেশের হাল ধরেন। তার রাজনৈতিক আদর্শ ও ত্যাগ আজও বাংলাদেশের মানুষকে প্রেরণা দেয়।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মানুষের হৃদয়ের মধ্যে স্থান করে নিয়েছিলেন। তাঁর সহধর্মিণী পরবর্তীতে আপসহীন নেত্রী হিসেবে শুধু জাতির কাছেই নয়, সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি বেগম খালেদা জিয়া। এই কারণেই আমরা তাকে (বেগম জিয়া ) আপসহীন বলি। শত নির্যাতন, শত হামলা-মামলা কোনোটাই তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। ‘এরশাদকে যেতে হবে’—এই প্রতিশ্রুতি তিনি জাতিকে দিয়েছিলেন এবং তা পালন করেছিলেন। ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই এরশাদকে বিদায় করা হয়েছিল।

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৬ বছর ধরে হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। হাসিনার স্বৈরশাসন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে শয়তানও হয়ত তার তুলনায় কম ভয়ংকর মনে হয়। তাকে বিদায় করার অন্যতম নেতৃত্ব দিয়েছেন আমাদের নেতা তারেক রহমান।

ছাত্র দলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, একটি পরিবার বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ থেকে স্বৈরাচার উৎখাত পর্যন্ত দুটি গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে, আরেকটি পরিবার পরিচিত হয়েছে ব্যাংক ডাকাত হিসেবে। শেখ হাসিনা প্রথম ব্যাংক ডাকাত নন,তার পরিবারের একজন মুজিবের জীবদ্দশায়ই এক কুখ্যাত ব্যাংক ডাকাতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনা শুধু দেশবাসী নয়, সারা বিশ্ব জানে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন, গুম-খুন, দমন-পীড়ন ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে অচল অবস্থায় নিয়ে গেছেন। এখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য একটি ‘সাচ্চা ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন’ জরুরি।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৮:১১   ১৯১ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসনে ১৫ দিন পরপর অনুষ্ঠিত হবে সমন্বয় সভা - স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
লাইসেন্সবিহীন সার বিক্রি করায় জামালপুরে অসাধু ব্যবসায়ীকে জরিমানা
উৎসবমুখর আয়োজনে আলফাডাঙ্গায় বেস্ট ইসলামী লাইফের ১৪ বছর পূর্তি
সিলেটের পর্যটন ও চা শিল্পে অধিকতর বিনিয়োগের আহবান রাষ্ট্রপতির
পরিবারের সুস্থতা ও সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনায় প্রবাসী আকাশ মিয়ার বাসভবনে মিলাদ ও দোয়া
সদরপুরে অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর
জামালপুরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক সম্রাট শামীম গ্রেপ্তার
বেতন ও কারখানা খোলার দাবিতে ফতুল্লায় ইউনাইটেড এ্যাপারেলের শ্রমিকদের অবরোধ
আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি দমন ও সুশাসন নিশ্চিত করায় সরকারের জোর
ক্যানসার চিকিৎসা ব্যবস্থায় আইএইএ সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরলেন বিজ্ঞানমন্ত্রী

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ