জাতীয় নির্বাচনের স্বচ্ছতা, সুষ্ঠুতা ও নিরবিচ্ছন্ন ব্যবস্থাপনায় সকল সংস্থার সহযোগিতা কামনা ইসির

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জাতীয় নির্বাচনের স্বচ্ছতা, সুষ্ঠুতা ও নিরবিচ্ছন্ন ব্যবস্থাপনায় সকল সংস্থার সহযোগিতা কামনা ইসির
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫



জাতীয় নির্বাচনের স্বচ্ছতা, সুষ্ঠুতা ও নিরবিচ্ছন্ন ব্যবস্থাপনায় সকল সংস্থার সহযোগিতা কামনা ইসির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের স্বচ্ছতা, সুষ্ঠুতা ও নিরবিচ্ছন্ন ব্যবস্থাপনার জন্য সকল সংস্থার সহযোগিতা কামনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসি সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিমূলক সমন্বয় সভায় এ কথা বলা হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ, এম, এম, নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভায় চারজন নির্বাচন কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।

সভায় গণভোট সংক্রান্ত সচেতনতা, আচরণবিধি পালন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং প্রবাসী নিবন্ধনকে অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী, বয়োবৃদ্ধ ও চলাচলে অক্ষম ভোটারদের ভোট গ্রহন নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সভায় নিয়োগ, লজিস্টিক, নিরাপত্তা, পরিবহন, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, আইনগত সহায়তা, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, ডাক ও যোগাযোগব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক সংযোগ, মাঠপর্যায়ের সমন্বয়সহ নির্বাচনি কার্যক্রমের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নির্বাচন কমিশন হতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা, সুষ্ঠুতা ও নিরবিচ্ছন্ন ব্যবস্থাপনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করা হয়। সভায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও সম্প্রচার, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্যখাত, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, আবহাওয়া অধিদপ্তর, বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষসহ অন্যান্য সংস্থা তাদের প্রস্তুতি উপস্থাপন করেন এবং প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও সহায়তার বিষয়ে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ঐক্যমত্যে পৌঁছান।’

বৈঠকে জানানো হয় যে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে ২০২৬ সালের সবচেয়ে বৃহৎ পরিসরের নির্বাচন, যেটিকে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ‘শতাব্দীর নির্বাচন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই প্রেক্ষাপটে সকল বাকি কার্যক্রম আরও সতর্কতা, নিষ্ঠা ও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের সঙ্গে এগিয়ে নেয়ার ওপর জোর দেয়া হয়। একইসঙ্গে জাতীয় নির্বাচন, গণভোট এবং প্রবাসী ভোট-এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সমান্তরালে পরিচালনার কারণে বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা ও আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা কমিশন পুনর্ব্যক্ত করে।

ব্যালট মুদ্রণ, তদারকি ও নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশাসনিক প্রস্তুতি: ব্যালটপত্র মুদ্রণের দায়িত্ব সরকারি প্রেস ও আর্মি সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে বণ্টিত হয়েছে বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। সরকারি প্রেসের তদারকি জোরদার করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে এবং প্রবাসী ব্যালট তদারকিতে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনকালে স্থানীয় প্রভাবশালীদের আতিথ্য গ্রহণের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়। উল্লেখ করা হয় যে, কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে যাতে সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন ও নির্ভার থাকতে পারেন সে উদ্দেশ্যে তাদের ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা যৌক্তিক ভাবে বিবেচনার করা হবে।

প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন, প্রচারণা ও সমন্বয় কাঠামো: ব্রিফিংয়ে জানানো হয় যে পূর্বের প্রযুক্তিগত জটিলতা সমাধানের পর প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন পুনরায় শুরু হয়েছে। ঠিকানা লিখার ফরম্যাটটি সংশোধন করা হয়েছে এবং একই সাথে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর নিমিত্ত ‘এডিট অপশন’ চালু করা হযেছে। প্রবাসীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বিটিভি ও সংসদ টিভির পাশাপাশি বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোকে তথ্যভিত্তিক প্রচারণা চালানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি কেন্দ্রীয় সমন্বয় কাঠামো গঠনের কথাও জানানো হয়।

ডাকযোগে ভোটদান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও মাঠপর্যায়ের অগ্রগতি: দেশের অভ্যন্তরে ডাকযোগে ভোটদানে সরকারি কর্মচারী, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইন- কান্ট্রি পোস্টাল ভোট অ্যাপ চালুর প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কার্যক্রমে প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া গত এক মাসে মাঠ প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত আপডেট পর্যালোচনা করে জানানো হয় যে বিদ্যালয় ভবন সংস্কার, সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক রয়েছে, বিভিন্ন কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা পরিলক্ষিত হচ্ছে যা স্বাভাবিক প্রবণতার মধ্যেই রয়েছে।’

মক ভোটিং, ভোটার শিক্ষা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটদান ব্যবস্থা: শনিবার মক ভোটিংয়ের প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে। তবে ভোটার প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রতিটি বুথে একটি গোপন কক্ষের পাশাপাশি আরও একটি গোপন বুথ (স্ট্যাম্পিং স্থান) রাখার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে ইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৫৬:৪৬   ৫৯ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


আল কোরআন ও আল হাদিস
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত
মাদারগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারকে অনুদান ও ঢেউটিন প্রদান
রূপগঞ্জের মানুষ আমরা অভাগা: দিপু ভূঁইয়া
দেশের প্রাণিকুলের বিদ্যমান রেড লিস্ট হালনাগাদকরণে বনবিভাগের সাথে আইইউসিএন, বাংলাদেশের চুক্তি স্বাক্ষর
জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণে স্থগিত
গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের সুযোগ এসেছে: জেলা প্রশাসক
পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি বিএনপির
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ
বিএনপি ২৪০ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে: ফজলুর রহমান

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ