বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আইসিসিবিতে ৩ দিনের প্রদর্শনী শুরু

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আইসিসিবিতে ৩ দিনের প্রদর্শনী শুরু
বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬



প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আইসিসিবিতে ৩ দিনের প্রদর্শনী শুরু

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ষষ্ঠবারের মতো শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক প্রাণীস্বাস্থ্য প্রদর্শনী। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে আইসিসিবির পুষ্পগুচ্ছ হলে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

এবারের এক্সপোতে বিশ্বের ১৪টি দেশ অংশ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এ মেলায় রয়েছে ১২৮টি বিদেশি স্টল এবং ৬৫ জন আন্তর্জাতিক প্রদর্শক।
পাশাপাশি দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আধুনিক পণ্য, প্রযুক্তি ও সেবা প্রদর্শন করছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. আবু সুফিয়ান প্রমূখ। আয়োজক সংস্থা অ্যানিম্যাল হেলথ কম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আহকাব) জানিয়েছে, আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এই প্রদর্শনী চলবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, প্রাণীকে শুধু খাদ্যের উৎস হিসেবে না দেখে তার স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পরিবেশকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। মাছ, পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতে রোগ, ভ্যাকসিন ও নিরাপদ ফিডের বিষয়গুলো এখনও যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না, যা ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি বলেন, ফিশ ভ্যাকসিন ও নিরাপদ ফিড উৎপাদনে গবেষণা ও কৃষি–লাইভস্টক সমন্বয় জরুরি। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের সুরক্ষা, দায়িত্বশীল উৎপাদনের মাধ্যমে এই খাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।

সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের বলেন, বাংলাদেশে প্রাণিস্বাস্থ্যের জন্য একটি পৃথক ড্রাগ অ্যাক্ট ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ গঠন জরুরি। প্রাণী স্বাস্থ্য নিয়ে তিন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।

আহকাব জানায়, প্রাণিস্বাস্থ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাই এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য।

এবারের এক্সপোতে চীন, ভারত, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, মিশর, রোমানিয়াসহ ১৪টি দেশের প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। প্রদর্শনীতে আধুনিক ভ্যাকসিন, ওষুধ, ফিড সলিউশন, ডায়াগনস্টিকস ও নতুন প্রযুক্তি তুলে ধরা হচ্ছে।
একই সঙ্গে প্রাণিস্বাস্থ্য, টেকসই উন্নয়ন ও বৈশ্বিক বাণিজ্য নিয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে সেমিনার ও জ্ঞানভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭:৫৭:৫১   ২১ বার পঠিত