![]()
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়েছে। উচ্ছেদ কার্যক্রম ঘিরে ভোগ-দখলকারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ অংশে সাইনবোর্ড এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জমি উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়রা জানান, সরকারি জমি উদ্ধারের উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও উচ্ছেদ প্রক্রিয়া যেন নিরপেক্ষ ও সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করা হয়, সে বিষয়ে নজরদারি প্রয়োজন। উদ্ধার অভিযান প্রকৃত শুদ্ধি অভিযানে পরিণত হওয়া জরুরি।
উচ্ছেদ হওয়া মনির স্টোরের মালিক মনির কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এলএ ৬৭–৬৮/১৪ নম্বর সরকারি এই ভূমি উচ্ছেদ করা হলেও এই জায়গার লিজের মেয়াদ এখনো রয়েছে এবং এ বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে যার রিট নাম্বার ৭০১৮/১৪।’
তিনি আরো বলেন, ‘পরিজাতের জায়গা উচ্ছেদ করা হলেও একই এলএ কেসের অধিগ্রহণ করা ভারটেক্স লিফট কম্পানির জমি এখনো তাদের দখলে রয়েছে।
উভয়েরই হাইকোর্টে রিট থাকলেও আজ পারিজাতের দখলে থাকা জমি উদ্ধার করা হয়েছে, অথচ ভারটেক্সের জমি উচ্ছেদ হয়নি, যা বোধগম্য নয়। উচ্ছেদ হওয়া জায়গাটি লাব্বাইক বাস মালিক সমিতির জন্য লিজের আবেদন করা হয়েছে। সে কারণেই এই উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।’
নারায়ণগঞ্জ জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম কালের কণ্ঠকে জানান, উচ্ছেদকালে সড়ক ও জনপদের ম্যাজিস্ট্রেট আশফাকুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
যাদের দখল অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, কেবল তাদেরই উচ্ছেদ করা হয়েছে। বৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:০৬:১৭ ৮ বার পঠিত