![]()
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল) ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, “আমি জানি না, তিনি কখনও স্কুলে গেছেন কিনা। পড়ালেখা করেছেন কিনা জানি না। তবে দল থেকে যে মনোনয়ন পেয়েছেন, সবাই বলে তিনি যোগ্য এজন্যই পেয়েছেন। আমি স্বীকার করি, যোগ্যতা থাকায় মনোনয়ন পেয়েছেন। আমরা পাইনি, আমাদের যোগ্যতা নেই। তবে তার যোগ্যতা আমি আপনাদের কাছে বলি- তিনি লুটপাট করে, চাঁদাবাজি করে, মানুষের জমি ও বাড়ি দখল করে বিপুল অর্থ সম্পদ অর্জন করেছেন। তার পুঁজি হচ্ছে অর্থ। আর আমার পুঁজি হচ্ছে জনগণ।”
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের ৪নং ওয়ার্ডে সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গিয়াসউদ্দিন আরও বলেন, “আমাদের কাছে অবৈধ অর্থ নেই, তাই আমরা মনোনয়ন কিনতে পারিনি। এখানে সাতজন প্রার্থী ডিফল্ট অবস্থায় রয়েছেন। তার কাছে আছে অর্থ, আর আমার আছে জনগণ। জনগণই আমার মাটি, আমার মানুষ। এটি হলো আমার সবচেয়ে বড় সম্পদ। এই সম্পদে বিশ্বাস করে, দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি অনেক মানুষের অনুরোধে। যেখানে আমার শক্তি ও সাহস আছে, সেখানে অর্থ কী হতে পারে? আপনি কি টাকা খেয়ে ভোট দেবেন? নিশ্চয় দেবেন না।”
তিনি ভোটারদের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “আপনারা ভোট দিন। কিছু নেতা বা ব্যক্তি আপনার কাছে আসবে, চাটুকারির মাধ্যমে আপনাকে প্রলোভিত করবে। তারা আসবে কারণ তাদের অর্থবিত্ত মানুষের কাছ থেকে অর্থ পেতে হবে। আপনার ভোট বিক্রি করে সেই অর্থকে হালাল করতে চাইবে। এদের স্বার্থের জন্য ভোট দেবেন না। আশা করি, আপনি সিদ্ধিরগঞ্জের মাটিকে কলঙ্কিত করবেন না।”
নির্বাচনী জনসভায় ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী মুন্সির পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাজেদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ডা. মাসুদ করিম, হোসেন সরদার, আব্বাস মিয়া, হাজী হাফিজ উদ্দিন, আব্দুল খালেক, আবুল হোসেন, হাজী মফিজ উদ্দিন, ইমাম আলী ও ওমর আলী প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ২২:৫৯:৩৭ ৯ বার পঠিত