![]()
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যে অঙ্গীকার ছিল, তার অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ পরিপ্রেক্ষিতে হতদরিদ্র পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হলো বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, সমাজসেবা দপ্তরের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরী, লামা নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো জাবেদ রেজা, লামা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আমির হোসেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান মিঠুন, জাহাঙ্গীর আলম, জসিম উদ্দিন তুষারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এদিকে এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ১ হাজার ৯৭ পরিবার কার্ড পায়। এ কার্ডের আওতায় প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে পাবেন আড়াই হাজার টাকা। ভাতা দেওয়া হবে উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে। এতে তারা ঘরে বসেই ভাতা পাবেন।
প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের সেবা করতে এসেছি। সুতরাং এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে দল কিংবা সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনীতিকরণ বা দলীয়করণ করা হয়নি। স্বচ্ছ ও স্বাধীন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান উপস্থিত উপকারভোগীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৯:১৫ ১০ বার পঠিত