শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

“চামড়া কালেকশন টু উদ্যোক্তা; মাদ্রাসাকে স্বনির্ভর করার বিজনেস আইডিয়া” - আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ আজহারী

প্রথম পাতা » কৃষি ও বাণিজ্য » “চামড়া কালেকশন টু উদ্যোক্তা; মাদ্রাসাকে স্বনির্ভর করার বিজনেস আইডিয়া” - আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ আজহারী
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬



“চামড়া কালেকশন টু উদ্যোক্তা; মাদ্রাসাকে স্বনির্ভর করার বিজনেস আইডিয়া” - আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ আজহারী

সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : আল আজহার ইউনিভার্সিটি, কায়রো, মিশর এর মেধাবী শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ আজহারী (মাহমুদ আজহারী), যিনি ইসলামিক স্টাডিজ এন্ড এরাবিক বিষয়ে অনার্স (২য় বর্ষ)- এ অধ্যয়নরত। তার সমসমায়িক ধর্মীয় লেখা গবেষণাধর্মী হয়ে থাকে। পাঠকদের জন্য কুরবানীর চামড়া শিল্প সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ লেখাটি প্রকাশ করা হলো।

“চামড়া কালেকশন টু উদ্যোক্তা; মাদ্রাসাকে স্বনির্ভর করার বিজনেস আইডিয়া”
প্রতিবছর কোরবানির ঈদে দেশের মোট চামড়ার প্রায় ৬০%-৭০% সংগ্রহ করে মাদ্রাসার ছাত্ররা। কিন্তু মাঠপর্যায়ের এই কষ্টার্জিত চামড়া মাত্র ৫০০-৬০০ টাকায় সওদাগরদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়, যা এক প্রকার লোকসান।
অথচ এই চামড়া দিয়ে তৈরি একটি ব্র্যান্ডেড মানি ব্যাগই বাজারে ১৫০০–২০০০ টাকায় বিক্রি হয়।
.
মূল পরিকল্পনা (বিজনেস মডেল):

উদ্যোগ:
চামড়া সরাসরি বিক্রি না করে, চুক্তিভিত্তিক ট্যানারি দিয়ে প্রসেস করিয়ে নেওয়া।
পণ্য তৈরি:
মাদ্রাসার নিজস্ব টিম বা কারিগর দিয়ে সেই চামড়া থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন, পার্স, জুতা বা বেল্ট তৈরি করা। ইত্যাদি ইত্যাদি……
লাভ:
৫০০ টাকার চামড়া থেকে তৈরি পণ্য কয়েক হাজার টাকায় বিক্রি হবে, যা মাদ্রাসার ফান্ড বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
সম্ভাবনা:
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১ কোটিরও বেশি পশু কোরবানি হয়। এই বিশাল বাজারকে কাজে লাগিয়ে কাঁচামাল থেকে সরাসরি পণ্য তৈরি করতে পারলে, একটি মাদ্রাসা মাত্র এক মৌসুমের আয় দিয়েই পুরো ১ বছর অনায়াসে চলতে পারবে।
উদ্দেশ্য:
“কামলা খাটার” মানসিকতা বদলে ছাত্রদের উদ্যোক্তা বানানো এবং মাদ্রাসাকে শতভাগ আর্থিক স্বনির্ভরতা দেওয়া।

বাংলাদেশ সময়: ১১:৫২:৫৩   ৩২ বার পঠিত