সোমবার, ১ জুন ২০২৬

বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
সোমবার, ১ জুন ২০২৬



বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলে দেশের বাজারেও দ্রুত কমানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

রোববার (৩১ মে) রাতে ডিজেল ছাড়া অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ানো হয়। যা সোমবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হয়েছে।

ভোক্তা পর্যায়ে অকটেনের দাম ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম আগের মতোই ১১৫ টাকা রাখা হয়েছে।

গতরাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন যে প্রতিমাসে মূল্য সমন্বয় হয়। মে মাসে মূল্য সমন্বয় হয়নি যেহেতু এপ্রিল মাসে একটা অ্যাডজাস্টমেন্ট করা হয়েছিল। আমরা একটা কথা কিন্তু বারবার বলবার চেষ্টা করেছি যে, একান্ত যখন উপায়হীন হবে সরকার তখনই এই ধরনের অপ্রিয় কিছু সিদ্ধান্ত হয়তোবা সরকারকে নিতে বাধ্য হতে হবে। তো মিডিল ইস্টের ক্রাইসিসের কারণে এই ধরনের বাস্তবতা এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের জ্বালানির মূল কনজাম্পশন অর্থাৎ ডিজেল ৬৬ শতাংশ। এটার পেছনেই সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি সরকারকে দেওয়া লাগে। কিন্তু তারপরেও কিন্তু এটা আনটাচড। ফর হোয়াট রিজন? সাধারণ মানুষ যেন কোনভাবে এফেক্টেড না হন। বাট আমি যেটা বলেছি আমরা যে উপায়হীন। এটা আমি শুধু বলছি না আমার তুলনায় আপনারাও ভালো জানেন। সে ক্ষেত্রে কিছু কিছু জায়গায় বাধ্য হয়ে কিছু অ্যাডজাস্টমেন্ট (সমন্বয়) করতে হচ্ছে।’

পর পর দুই দফা তেলের দাম বেড়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা টেনশন কাজ করছে, আবার বাজেট আছে। তেলের দাম কি পর্যায়ক্রমে আসলে বাড়বে নাকি সমন্বয় হবে- কি মেসেজ দিতে চান? এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, না, না, আমি খুব স্পষ্ট করে বলতে পারি যে আমরা তো আশাবাদী যে মিডিল ইস্ট ক্রাইসিস অচিরেই রিজলভ হবে। আমি খুব দায়িত্ব নিয়েই বলতে পারি যদি গ্লোবাল প্রাইস মানে শার্পলি ডিক্লাইন করে আমরাও খুব শার্পলি এটা অ্যাডজাস্ট (আন্তর্জাতিক বাজারে কমলে দেশের বাজারেও কমবে) করবার চেষ্টা করব।’

মানুষের অতীত অভিজ্ঞতার সুখকর নয় জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘মানে বাড়ে যেভাবে হয়তোবা সেভাবে কমে না। কিন্তু আমি এটুকু দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি যদি এই ক্রাইসিস রিজলভ হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কমে আসে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন, যেহেতু এটা নির্বাচিত সরকার, জনগণের প্রতি আমাদের একটি দায়বদ্ধতা রয়েছে, সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে জনগণের কষ্ট লাঘবের জন্য আমরা তড়িৎ সিদ্ধান্ত ইনশাআল্লাহ গ্রহণ করব।’

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৩৯:৪১   ১৪ বার পঠিত