বিএনপি উদার গণতান্ত্রিক দল, আমরা কোনো বিভাজন চাই না : মির্জা ফখরুল

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » বিএনপি উদার গণতান্ত্রিক দল, আমরা কোনো বিভাজন চাই না : মির্জা ফখরুল
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬



বিএনপি উদার গণতান্ত্রিক দল, আমরা কোনো বিভাজন চাই না : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক দল। বিএনপি ইজ এ পার্টি অব লিবারেল ডেমোক্রেসি।
আমরা উদার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। কোনো বিভাজন সৃষ্টি করতে চাই না। বরং যে আদর্শে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে, সেই আদর্শকে আরো শক্তিশালী করতে চাই।’

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের পিআইবি অডিটোরিয়ামে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনে দেশের মানুষ ভুল করেনি। নির্বাচনের আগে বুদ্ধিজীবী ও পত্রিকাগুলোর একটি অংশ এমন একটি হাইপ তৈরি করেছিল যে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় চলে যাচ্ছে এবং তারাই সবচেয়ে বেশি ভোট পাবে। এমনকি তাকেও পরাজিত হিসেবে দেখানো হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষ তাদের বাদ দিয়ে বিএনপিকে বেছে নিয়েছে।
’

তিনি বলেন, ‘যাকে কেউ চিনত না, যাকে অখ্যাত মেজর বলে আওয়ামী লীগের লোকজন বিদ্রুপ করত, সেই মেজর জিয়াউর রহমানই দেশের প্রয়োজনে এমন এক সময়ে চট্টগ্রাম থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন, যখন গোটা দেশের মানুষ যুদ্ধ ঘোষণার অপেক্ষায় ছিল।’

বিএনপি এ নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ তখন একমত হয়ে গিয়েছিল যে পাকিস্তানের সঙ্গে আর থাকা যাবে না এবং যুদ্ধ করতে হবে। সেই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মানুষ যে ভোট দিয়েছিল সেটি কেবল একটি দলের জন্য নয়, বরং পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে আসার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ছিল।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের মধ্যেই সেই দর্শন নিহিত রয়েছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এমন এক সময়ে রাজনীতির নেতৃত্বে এসেছিলেন, যখন দেশ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত ছিল। সে সময় বিভাজনের রাজনীতি না করে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মতকে একত্রিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। প্রথমে ফ্রন্ট, পরে জাগদল এবং পরবর্তীতে বিএনপি গঠনের মাধ্যমে জাতীয় পুনর্মিলনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে কারো শত্রু বানাতে চাননি, বরং সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফলও হয়েছিলেন। জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তার মূল কারণ ছিল বাংলাদেশের মানুষকে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখানো। মানুষ কোনো আধিপত্যের অধীনে নয়, বরং স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:৫৫:০৩   ১৩৮ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু
ইতিহাসের এই দিনে
আল কোরআন ও আল হাদিস
তুরস্ককে হারিয়ে প্রথম জয় ইতালির
ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ফেরাতে গুপ্ত-নিষিদ্ধদের ষড়যন্ত্র চলছে : মীর শাহে আলম
৬ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতল ব্রাজিল
অনিয়মের জন্য ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল
অফশোর জ্বালানি সম্ভাবনা তুলে ধরল বাংলাদেশ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আইনি সহায়তা জোরদারে আইনমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
পাহাড়ে কফি-কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর - পার্বত্য মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ