
জাপানের ৫৯ বছর বয়সী সাবেক স্ট্রাইকার কাজুয়োশি মিউরা প্রায় চার বছর পর আবারও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করেছেন। সপ্তাহান্তে তার দল ফুকুশিমা ইউনাইটেড এম্পেররস কাপের বাছাইপর্বে ইওয়াকি ফুরুকাওয়া এফসিকে ৭-০ গোলে হারায়।
পেশাদার ক্যারিয়ারের ৪১তম মৌসুমে খেলতে থাকা পাকা চুলের এই কিংবদন্তি, যিনি ‘কিং কাজু’ নামে পরিচিত, জাপানের তৃতীয় বিভাগের ক্লাব ফুকুশিমা ইউনাইটেডের হয়ে দলের পঞ্চম গোলটি করেন। এটি ছিল ২০২২ সালের নভেম্বরের পর তার প্রথম গোল। ম্যাচের ৫২তম মিনিটে তাকাতোরা এইনাগার ক্রস বক্সের ভেতরে পেযয়ে দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়ান মিউরা। মুহূর্তটি যেন তার সোনালি দিনের স্মৃতি ফিরিযয়ে এনেছিল।
ম্যাচ শেষে মিউরা বলেন, “পরিস্থিতিটা একটু এলোমেলো ছিল, কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরা সঠিক জায়গায় ছিলাম। তাই আমার মনে হয়, আমরা ভালো অবস্থান নিয়েছিলাম। কোচ আমাকে ওই সময় পর্যন্ত খেলার সুযোগ দিয়েছিলেন। আমি তার এবং সবার প্রত্যাশার মর্যাদা রাখতে চেয়েছিলাম।
“সবচেয়ে বড় কথা, আমরা তখন অনেক ব্যবধানে এগিযয়ে ছিলাম। তারপরও খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সমর্থকেরা সবাই মিলে ওই একটি গোল এমন আনন্দের সঙ্গে উদ্যাপন করেছে- এটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি খুশি করেছে।”
মিউরা ১৯৮৬ সালে ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসের হয়ে পেশাদার ফুটবল শুরু করেন। এরপর তিনি ইতালি, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও পর্তুগালের বিভিন্ন ক্লাবেও খেলেছেন।
১৯৯৩ সালে জাপানের পেশাদার জে-লিগ চালু হওয়ার সময় দেশটিতে ফুটবলের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
১৯৯০ সালে জাপান জাতীয় দলে অভিষেক হলেও, ১৯৯৮ সালে জাপানের প্রথম বিশ্বকাপ আসরের দলে তাকে বিস্ময়করভাবে রাখা হয়নি। অথচ জাতীয় দলের হয়ে ৮৯ ম্যাচে তিনি করেছিলেন ৫৫ গোল।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ধারে ফুকুশিমা ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার পর মিউরা বলেছিলেন, গোল ও অ্যাসিস্ট করে নতুন ক্লাবের আস্থার প্রতিদান দিতে চান তিনি।
এর আগে গত মৌসুমে তিনি চতুর্থ বিভাগের ক্লাব এ্যাথলেটিকো সুজুকার হয়ে খেলেছিলেন। সেখানে আটটি ম্যাচ খেললেও কোনো গোল করতে পারেননি এবং মৌসুম শেষে দলটি অবনমিত হয়ে জাপানের আঞ্চলিক লিগে নেমে যায়।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:৫১:৪৬ ৫ বার পঠিত