বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

মিতিঙ্গাছড়ি-পানখালী ও নাফানগরসহ কয়েকটি গ্রামে হবে পর্যটন স্পট: পর্যটনমন্ত্রী

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » মিতিঙ্গাছড়ি-পানখালী ও নাফানগরসহ কয়েকটি গ্রামে হবে পর্যটন স্পট: পর্যটনমন্ত্রী
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬



মিতিঙ্গাছড়ি-পানখালী ও নাফানগরসহ কয়েকটি গ্রামে হবে পর্যটন স্পট: পর্যটনমন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনকৃত ‘এসডিজি ভিলেজ’ রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি গ্রাম, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রাম এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রামসহ আরো কয়েকটি গ্রাম নিয়ে পর্যটন স্পট তৈরি হবে।

বুধবার রাজধানীর পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে ইকো-ট্যুরিজম প্রসারে সরকারি-বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুর রউ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, আমাদের স্বাধীনতার ৫৫ বছর হলেও পর্যটন খাতে উন্নয়নের নজির কম। বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের মাত্র ৫ মাসেই আমরা তাই পর্যটন খাতের উন্নয়নে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। তবে দেশকে ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার যাত্রা সহজ হবে না। তাই এ যাত্রায় অংশীজনদের সকলকেই পাশে চাই।

মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা আপনাদের সহযোগিতায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব বলে আশা রাখি। আমাদেরকে যেকোনো উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার যাচাই করতে হবে। সেজন্য আমরা প্রতিমাসেই বেসরকারি অংশীজনদের নিয়ে বসতে চাই যাতে সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে তথ্যের ঘাটতি না থাকে।

তিনি বলেন, পুরো বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার পর্যটন সম্ভাব্য স্থানগুলোকে চিহ্নিত করে দেশকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নিতে চায় বর্তমান সরকার।

সচিব ফাহমিদা আখতার বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়নে তথ্যের ঘাটতি দূর করার জন্য আমরা ইতোমধ্যেই Tourism Satellite Account (TSA) এর কাজ শুরু করেছি। তাছাড়া ইকো-ট্যুরিজম নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে। বিগত সময়ে সমন্বয়হীনতার কারণে অগ্রগতি হয়নি এ খাতে। আপনাদের সহযোগিতা পেলে সমন্বয়হীনতা দূর করে পর্যটন খাতকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।

সেমিনারে বাংলাদেশে ইকো-ট্যুরিজমের গুরুত্ব, বর্তমানে বাংলাদেশে ইকো-ট্যুরিজমের অবস্থান, ইকো-ট্যুরিজমের উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ, উন্নয়ন কর্ম পরিকল্পনা এবং করণীয় বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:৫৪:৫৪   ১৩ বার পঠিত