![]()
আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় কৃতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে ‘কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী ১০ শিক্ষার্থী এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান (মডেল) পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান (মডেল) পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আজাদুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিলন কুমার সরকার।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সহকারী প্রধান শিক্ষক এএম মুস্তাফিজুর ইসলাম, সহকারী শিক্ষক শাজাহান কবির, আবুল বাশার শেখ ও মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন।
বক্তারা কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
তরুণ সমাজসেবক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আসন্ন আলফাডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মুন্সী বিল্লাল হুসাইন নিজস্ব অর্থায়নে কৃতি ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও নগদ উপহার তুলে দেন।
এ সময় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬-এ বিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হওয়ায় প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আজাদুল ইসলাম এবং শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় মো. মোজাহিদুল ইসলামকে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মুন্সী বিল্লাল হুসাইন বলেন, শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের মেধা ও সাফল্যকে উৎসাহিত করা আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন অর্থের অভাবে কিংবা প্রয়োজনীয় উৎসাহের অভাবে পিছিয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই আমার এই উদ্যোগ। আমি চাই, আলফাডাঙ্গার শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ায় আরও ভালো ফলাফল করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করুক।
তিনি আরও বলেন, শুধু ভালো ফলাফল করলেই হবে না, শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। আজকের কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমাজ ও দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি আনন্দিত।
বক্তারা বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি ও উৎসাহ প্রদান করলে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হয়। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে তাদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফলের জন্য অনুপ্রেরণা জোগানোই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:১৯:০২ ৭ বার পঠিত