বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে শুভ চন্দ্র দাস হত্যা: ডিবি পুলিশের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » নারায়ণগঞ্জে শুভ চন্দ্র দাস হত্যা: ডিবি পুলিশের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬



নারায়ণগঞ্জে শুভ চন্দ্র দাস হত্যা: ডিবি পুলিশের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় দায়ের করা বহুল আলোচিত শুভ চন্দ্র দাস হত্যা মামলার তদন্তে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মামলার অন্যতম আসামি সুমন ওরফে ‘মাইগ্যা সুমন’-এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও ডিবি সূত্রে জানা গেছে, শুভ চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের পর এজাহারভুক্ত ও তদন্তে প্রাপ্ত একাধিক আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কয়েকজন বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও প্রদান করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালে সুমনের দেওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই ও আলামত উদ্ধারে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযানে নামে। পুলিশ পরিদর্শক জনাব নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে আসামি সুমনকে সাথে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তার দেখানো স্থান—নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন নবাব সলিমুল্লাহ রোডস্থ রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান ফটকের আনুমানিক ২০-২৫ গজ পূর্বে ফুটপাতের পাশের একটি গাছের ঝোপঝাড় থেকে শপিং ব্যাগে লুকানো অবস্থায় অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত সাড়ে ৭ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের পিস্তলটির ব্যারেলে ইংরেজিতে “MADE IN USA 7.65 MM” লেখা রয়েছে এবং এতে একটি ম্যাগাজিন সংযুক্ত ছিল। মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল আনুমানিক ৪:৪৫ ঘটিকায় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জব্দতালিকা প্রস্তুত করে আলামতসমূহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

প্রাথমিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদে ডিবি পুলিশ জানতে পেরেছে, মূলত পূর্বশত্রুতা ও এলাকাভিত্তিক মাদক ব্যবসার বিরোধকে কেন্দ্র করেই শুভ চন্দ্র দাসকে হত্যার নির্মম পরিকল্পনা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডে সুমনের পাশাপাশি একাধিক ব্যক্তি সরাসরি জড়িত ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র হেফাজতে রাখা ও ব্যবহারের অপরাধে সংশ্লিষ্ট আসামিদের বিরুদ্ধে দ্য আর্মস অ্যাক্ট (The Arms Act, 1878)-এর 19A ধারায় আলাদা মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে ডিবি ও সদর থানা পুলিশের যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭:২৭:৫৯   ৮ বার পঠিত