![]()
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান শিল্প-সংস্কৃতিকে শান্তির অন্যতম শক্তিশালী বাহন হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, শান্তিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিশ্বে টেকসই উন্নয়ন ও সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
মন্ত্রী আজ রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে লাল সবুজ সাংস্কৃতিক একাডেমির আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে ‘Glamour Excellence Award-2026’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। ভাষা না বুঝলেও সংগীত, চিত্রকলা, নৃত্যসহ শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যম মানুষের মধ্যে যোগাযোগ, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারে। তাই বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় শিল্প ও সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগী ছিলেন। তিনি শিল্পকলা একাডেমির প্রাঙ্গণে গ্রামবাংলার ভাটিয়ালি, বাউলসহ বিভিন্ন লোকসংগীতের শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাঁদের গান শুনতেন। পরে তৎকালীন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহযোগিতায় শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়াম ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে আট কোটি টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করার সুযোগ পান বলে জানান ড. আবদুল মঈন খান।
মন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব শান্তি দিবস পালিত হয়। শুধু শান্তি দিবসেই নয়, বছরের প্রতিটি দিন শান্তির পক্ষে কাজ করতে হবে। শান্তিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সংঘাত, অস্থিরতা ও যুদ্ধ থেকে উত্তরণের পথ তৈরি করা সম্ভব। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে শান্তি ও সম্প্রীতির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্বে একটি সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ গড়ার উদাহরণ সৃষ্টি করা সম্ভব। এ জন্য শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসারে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আরফাতুর রহমান আপেল।
অনুষ্ঠানে শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ২২:৩০:০৪ ১০ বার পঠিত