![]()
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ডুমুরিয়া উপজেলার সলুয়ায় স্থাপিত বর্জ্য রিসাইকিং প্লান্ট আগামী ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে।
একইসাথে বটিয়াঘাটা উপজেলার মাথাভাঙ্গায় আরও একটি বর্জ্য রিসাইকিং প্লান্ট চালুর অপেক্ষায় রয়েছে।
একইসাথে রাজবাঁধ ট্রেন্সিং গ্রাউন্ডে মেডিকেল বর্জ্য শোধনাগার প্লান্টও দ্রুত চালু হচ্ছে। এই তিনটি রিসাইকিং প্লান্ট চালু হলে মহানগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন দ্বার উম্মোচিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়োজিত হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিবেশসম্মত ও নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর-খুলনার সহযোগিতায় গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উন্নত বিশ্ব অনেক উচ্চতায় অবস্থান করছে উল্লেখ তিনি আরও বলেন, আমরা ততটা না পারলেও কাছাকাছি যেতে চাই। কিন্তু পারস্পারিক সহযোগিতা না থাকলে সফল হওয়া যাবে না।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. গাজী মিজানুর রহমান।
প্রধান প্রশিক্ষক ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর-খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মো. রেজাউর রহমান, সহকারী পরিচালক ডা. মোস্তফা আল মামুন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কনজারভেন্সি অফিসার মো. আনিসুর রহমান এবং হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. সাজ্জাদুল হাসনাত খান। সঞ্চালনা করেন গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশিকুর রহমান।
কর্মশালায় হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা হাসপাতালের বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ, সংগ্রহ, সংরণ ও অপসারণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরায় সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব করার লক্ষ্যে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ সময়: ২২:৫৭:৫০ ৮ বার পঠিত