জলবায়ু সংক্রান্ত কর্মকান্ডের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩৭৩ বিলিয়ন ডলার : পরিবেশমন্ত্রী

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জলবায়ু সংক্রান্ত কর্মকান্ডের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩৭৩ বিলিয়ন ডলার : পরিবেশমন্ত্রী
সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩



জলবায়ু সংক্রান্ত কর্মকান্ডের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩৭৩ বিলিয়ন ডলার : পরিবেশমন্ত্রী

কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক, ২০ মার্চ, ২০২৩ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, জাতীয় জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগামী ২৭ বছরে বাংলাদেশের ২শ’৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের এনডিসি লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহায়তা থেকে প্রয়োজন ১শ’ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। জলবায়ু অর্থায়নে সহজ এবং দ্রুত প্রবেশাধিকারও নিশ্চিত করতে হবে।
শাহাব উদ্দিন আজ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত ‘ড্রাইভিং ক্লাইমেট অ্যাকশন, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড প্রোগ্রেস’ বিষয়ে প্রথম কোপেনহেগেন মন্ত্রী পর্যায়ের জলবায়ু সম্মেলনে এ কথা বলেন।
আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
শাহাব উদ্দিন বলেন, অভিযোজন এবং প্রশমনের মধ্যে সমান ভারসাম্য রেখে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নেওয়া পদক্ষেপগুলোকে সমর্থন করতে উন্নত দেশগুলো থেকে চলতি বছর থেকে বছরে একশ’ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবী দাতা সহায়তার বাইরে অভিযোজনের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জরুরিভাবে নতুন, অনুমানযোগ্য এবং পর্যাপ্ত অনুদান-ভিত্তিক পাবলিক অর্থায়ন জরুরি প্রয়োজন।
মন্ত্রী বলেন, ন্যাপ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক ব্যবস্থার সমাধান করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ উন্নত দেশগুলোর প্রতি দ্বিগুণ অভিযোজন অর্থায়নের আহ্বান জানায়। এলডিসি গ্রুপের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলিতে অনুদান-ভিত্তিক অভিযোজন সহায়তার জন্য জলবায়ু অর্থায়নের উচ্চাভিলাষী অবদান নিশ্চিত করতে উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করে।
মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেন্ট্রিগেড নাগালের মধ্যে রাখার জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক গ্রিন হাউজ গ্যাসের নির্গমন ৪৩ শতাংশ কমাতে ‘মিটিগেশন ওয়ার্ক প্রোগ্রাম’ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দেশগুলিকে ঐক্যমত পোষণ করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রশমন কর্মসূচিকে পর্যাপ্ত আর্থিক সংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে প্রশমন কর্মকান্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সক্ষম করার শর্ত তৈরি করা উচিত।
এর আগে মন্ত্রী ডেনমার্কে বাংলাদেশ দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত একেএম শহীদুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশী কমিউনিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪১:২৮   ২৮০ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সানির দোয়া ও স্মরণসভা
জনগণ ইসলামী দলকে ভোট দিতে প্রস্তুত : ডা. তাহের
সুপার ওভারে জিতল রাজশাহী
তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন ডাকসু ভিপি
শিশুরা পেয়েছে নতুন বই, পাননি সপ্তম-অষ্টমের শিক্ষার্থীরা
প্রবাসী প্রেমিকের নির্দেশে সাবেক প্রেমিককে হত্যা, গ্রেপ্তার ৬
দেওভোগে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করলেন সালমা ইসলাম
মানিকগঞ্জে হেরোইনসহ বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার
জয়শঙ্করের সফর রাজনৈতিক নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ