শাওয়াল মাসের আমল ও ছয় রোজার গুরুত্ব

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » শাওয়াল মাসের আমল ও ছয় রোজার গুরুত্ব
রবিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৩



শাওয়াল মাসের আমল ও ছয় রোজার গুরুত্ব

রমজানের পরের মাস শাওয়াল। রমজানে পূর্ণ মাস রোজা পালন করা ফরজ, শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখা সুন্নত। আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘যখন তুমি (ফরজ দায়িত্ব পালন থেকে) অবসর হবে, তখন (নফল ইবাদতের মাধ্যমে) তোমার রবের প্রতি মনোনিবেশ করো’ (সুরা-৯৪ ইনশিরাহ, আয়াত: ৮)।

শাওয়াল ইসলামি মাসগুলোর মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মাস। এ মাসের বহুবিধ তাৎপর্য রয়েছে। আরবি চান্দ্রবর্ষের দশম মাস শাওয়াল। এটি হজের তিন মাসের (শাওয়াল, জিলকদ, জিলহজ) অগ্রণী। এ মাসের প্রথম তারিখে ঈদুল ফিতর বা রমজানের ঈদ। পয়লা শাওয়াল সদকাতুল ফিতর বা ফিতরা আদায় করা এবং ঈদের নামাজ পড়া ওয়াজিব।

এই মাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে হজের, এর সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে ঈদের; এর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে রোজা ও রমজানের এবং এর সঙ্গে যোগ রয়েছে সদকা ও জাকাতের। এ মাসের ৭ তারিখে তৃতীয় হিজরি সনে (২৩ মার্চ ৬২৫ খ্রিষ্টাব্দে) ওহুদ যুদ্ধে বিজয় হয়েছিল। এই মাস আমল ও ইবাদতের জন্য অত্যন্ত উর্বর ও উপযোগী।

শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যারা রমজানে রোজা পালন করবে এবং শাওয়ালে আরও ছয়টি রোজা রাখবে, তারা যেন সারা বছরই রোজা পালন করল’ (মুসলিম, হাদিস: ১১৬৪; আবু দাউদ, হাদিস: ২৪৩৩; তিরমিজি, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ, সহিহ্-আলবানি)।

চান্দ্র মাস হিসেবে তিন শ চুয়ান্ন বা তিন শ পঞ্চান্ন দিনে এক বছর হয়। প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কমপক্ষে ১০ গুণ করে দিয়ে থাকেন। (সুরা-৬ আনআম, আয়াত: ১৬০)। এই হিসাবে রমজান মাসে এক মাসের (৩০ দিনের) রোজা ১০ গুণ হয়ে তিন শ দিনের সমান হয়। অবশিষ্ট চুয়ান্ন বা পঞ্চান্ন দিনের জন্য আরও ছয়টি পূর্ণ রোজার প্রয়োজন হয়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘আল্লাহ তা’আলা শাওয়াল মাসের ছয় দিনে আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি এই মাসে ছয় দিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তা’আলা তাকে প্রত্যেক সৃষ্ট জীবের সংখ্যার সমান নেকি দেবেন, সমপরিমাণ গুনাহ মুছে দেবেন এবং পরকালে তাকে উচ্চ মর্যাদা দান করবেন।’

শাওয়াল মাসের যেকোনো সময় এই রোজা আদায় করা যায়। ধারাবাহিকভাবে বা মাঝেমধ্যে বিরতি দিয়েও আদায় করা যায়। উল্লেখ্য, রমজান মাসে ফরজ রোজা ছাড়া অন্যান্য সব রোজার নিয়ত সাহ্‌রির সময়ের মধ্যেই করতে হবে। ঘুমানোর আগে বা তারও আগে যদি এই দিনের রোজার দৃঢ় সংকল্প থাকে, তাহলে নতুন নিয়ত না হলেও চলবে এবং সাহ্‌রি না খেতে পারলেও রোজা হবে। (ফাতাওয়া শামি)।

বাংলাদেশ সময়: ২০:৫৩:৪৫   ২৫৭ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


আল কোরআন ও আল হাদিস
আমাকে দিয়ে আর যাই হোক, চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতি সম্ভব না: হাসনাত আব্দুল্লাহ
রাজধানীর ভাটারায় মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট
সরিষাবাড়ীতে ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ধানের শীষ জয়ী হলে দেশে গণতন্ত্র জয়ী হয়: মঈন খান
হাসিনা আপার রেখে যাওয়া কর্মী-সমর্থকদের পাশে আছি : মির্জা ফখরুল
প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দিচ্ছে: আসিফ মাহমুদ
দেবী সরস্বতীর তাৎপর্য সাংস্কৃতিক ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ - মৎস্য উপদেষ্টা
১২ ফেব্রুয়ারির ভোটই হবে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড, মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা
খেলার মাঠের অভাবে তরুণরা বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ