খাঁটি মুক্তা চেনার কয়েকটি উপায়

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » খাঁটি মুক্তা চেনার কয়েকটি উপায়
শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪



খাঁটি মুক্তা চেনার কয়েকটি উপায়

ঝিনুকের মধ্যে পাওয়া যায় ঝলমলে মহামূল্যবান রত্ন। যুগ যুগ ধরে মুক্তার গয়না নারীর সৌন্দর্যের পাশাপাশি আভিজাত্যকেও বাড়িয়েছে। অনেক ধরনের মুক্তা পাওয়া যায় ঝিনুকের খোলস থেকে। মিথ রয়েছে স্বাতী নক্ষত্রে বৃষ্টির পানি ঝিনুকের মধ্যে পড়লে মুক্তার জন্ম হয়। সে যা-ই হোক, মুক্তার প্রতি বেশিরভাগ মানুষের আলাদা একটি দুর্বলতা কাজ করে সবসময়। তবে শুধুমাত্র নারীর গয়না তৈরিতে নয় বিভিন্ন কারুশিল্পেও রয়েছে মুক্তার শীর্ষ অবস্থান।

তবে বিপত্তি ঘটে আসল মুক্তা চেনার বেলায়। বেশ বিচক্ষণতার সঙ্গে চিনতে হয় এটি। বাজারে আসল মুক্তার আদলে তৈরি নকল মুক্তাও রয়েছে। নকল মুক্তা হচ্ছে মেশিনে তৈরি পুঁতি। এগুলো সাধারণত কাচ, প্লাস্টিক বা অ্যালাবাস্টার থেকে তৈরি করা হয়। মুক্তার মতো আবরণ দেওয়া এসব পুঁতি দেখতে অবিকল আসল মুক্তার মতো।

মুক্তা চেনার সময় যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন তা হলো-

> যেহেতু এটির বাস পানিতেই হয়, তাই ধরার সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে হবে এটি ঠান্ডা কি না। কয়েক সেকেন্ডের জন্য আপনাকে এটি শীতল অনুভূতি দেবে। নকল মুক্তা রুমের তাপমাত্রার মতো হয়। কাচের পুঁতি দিয়ে তৈরি নকল মুক্তা স্পর্শ করলে শীতল মনে হতে পারে। তবে সত্যিকারের মুক্তার চেয়ে ত্বক গরম হতে বেশি সময় লাগবে।

> খুব কাছ থেকে মুক্তা দেখতে হবে। চারপাশে একেবারে নিখুঁত মনে হলে সব দিকে দেখতে একই রকম ও সমান হলে এটি নকল। প্রাকৃতিক মুক্তা নিখুঁত হয় না বা অসমান থাকে।

> মুক্তা আলোর নিচে ধরুন। আসল মুক্তায় ভিন্নভাবে আলো প্রতিফলিত হয়। নকল মুক্তা দেখতে কাচের মতো ঝকঝকে দেখাবে মুক্তার রঙ পরীক্ষা করে দেখুন। আসল মুক্তার রঙের ওপরে গোলাপী ও সবুজের মিশ্রণ থাকবে। এক ও অভিন্ন রঙের মুক্তা নকল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তবে এই পদ্ধতি সবসময় কার্যকর নয়। কারণ আসল মুক্তার রঙও স্বচ্ছ হতে পারে।

> বেশিরভাগ আসল মুক্তা খুব কমই গোলাকার হয়। ডিম্বাকৃতি, বৃত্তাকারের মতো, কিছুটা লম্বাটে আবার মাঝখানে ঢেউ খেলানো আকৃতি বা অনিয়মিত আকারের হতে পারে। সাধারণত বৃত্তাকার মুক্তার দাম অন্যান্য আকারের মুক্তার তুলনায় বেশি হয়। নকল মুক্তা একই রকম গোলাকার হয় সবগুলোই।

> খাঁটি মুক্তা নকলের চেয়ে ভারী হয়। তাই হাতের সাহায্যে ওজনের পার্থক্য বুঝুন।

> আসল মুক্তাতে থাকে ড্রিলের ছিদ্রগুলো সাধারণত খুব ছোট হয়। নকল মুক্তার ছিদ্রগুলো বড় হয়। নকল মুক্তার ছিদ্রের চারপাশের আবরণ সাধারণত পাতলা হয় এবং দেখতে চকচকে হয়। গর্তের চারপাশের আবরণগুলো উঠে যাচ্ছে এমন মনে হতে পারে নকল মুক্তার ক্ষেত্রে।

> পৃষ্ঠের অনুভূতি পরীক্ষা করতে মুক্তা ঘষুন দাঁতের সঙ্গে। সামনের দাঁতগুলোতে হালকাভাবে মুক্তাগুলো ঘষবেন। নকল মুক্তা সাধারণত মসৃণ বা গ্লাসযুক্ত মনে হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৪০:০২   ৪৬০ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


ফরিদপুরে গার্ডেনার্স এসোসিয়েশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
বোয়ালমারীতে মিনি ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধন
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হলেন এমপি খোকন তালুকদার ও সানজিদা ইসলাম
সদরপুরে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারাল দক্ষিণ কোরিয়া
সামষ্টিক অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই চাপের মুখে : সিপিডি
সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
মধুখালীতে স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রকল্পের উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
কালকিনিতে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ,আহত ২০
আমরা মিলেমিশে কাজ করব : ভারতের নতুন হাইকমিশনার

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ