
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড়ে অবরোধ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে তারা অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। ফলে এসব এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।
যানজটে আটকে থাকা এক মোটরসাইকেলচালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি আন্দোলন করিনাই।
আজকে তারা অধিকারের জন্য দাঁড়াচ্ছে সেটা ঠিক আছে। কিন্তু এই জন্য মানুষকে হয়রানি করা কোন ধরনের যৌক্তিকতা। তারা মেইন রাস্তা আটকে দিয়েছে। পেছন থেকে যেতে দিক আমাদের।
তারা সেটাও দিচ্ছে না। এটা কি কোনো স্টুডেন্টের মানবিকতা? স্টুডেন্ট কারা হবে? যাদের মানবিকতা থাকবে। যারা মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করবে।’
তিনি বলেন, ‘কারো অফিস আছে, কেউ হাসপাতালে যাবে, কেউ রোগী আছে।
আজকে এতগুলো মানুষকে হয়রানি করে আপনারা এভাবে রাস্তা আটকে দিয়েছেন। আপনারা আপনাদের অধিকার আদায় করেন সমস্যা নাই। কিন্তু মানুষকে এভাবে হয়রানি করা কি কোনো স্টুডেন্টের কাজ।’
তিনি বলেন, ‘আগামীর ভবিষ্যৎ যদি তোমরা হতে চাও, তাহলে মানুষের অধিকার দিতে হবে। তোমার ভেতর যদি সেই মনুষ্যত্ব মানবিকতা না থাকে তাহলে তোমার এই আন্দোলন কখনো সফল হবে না, হবে না, হবে না।
ভোগান্তির শিকার রাইড শেয়ারিং করা এক ব্যক্তি বলেন, ‘তারা আন্দোলন অবরোধ করবে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গিয়ে করুক। সেখানে না গিয়ে তারা রাস্তায় কেন, আমাদের সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি দিচ্ছে কেন?’
তিনি বলেন, ‘এভাবে প্রতিদিন রাস্তা অবরোধ করলে আমাদের সংসার চলবে কী করে। আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি বলেই, রাস্তাঘাট অবরোধ করতে হবে। যেকোনো দাবি নিয়ে যে যখন পারছে রাস্তায় নেমে পড়ছে। এই জন্য কি দেশ নতুন করে স্বাধীন হয়েছে?’
বাংলাদেশ সময়: ১৬:০৭:৩৪ ৭ বার পঠিত